বাবর মুনাফ:
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি ঘোষিত বোয়ালখালী উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী যাচাই- বাছাই কমিটির কাছে শ্রীপুর- খরণদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে দলীয় ফরম ও রাজনৈতিক জীবন বৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন ৮নং শ্রীপুর- খরণদ্বীপ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আজাদ খান।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দের কাছে তিনি মনোনয়ন ফরম জমা দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য ও প্রার্থী যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য মেহেদী হাসান সুজন, শাহানুর শাহীন হিরুসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যানের আস্থাভাজন ও একনিষ্ঠ কর্মী, সুদূরপ্রসারী দিকনির্দেশনা এবং সঠিক রাজনৈতিক প্রজ্ঞাকে পুঁজি করে যিনি সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তিনি আর কেউ নন- রাজপথের পরীক্ষিত নেতা আজাদ খান।
কোনো লোভ বা ক্ষমতার মোহে নয় বরং দলের চরম দুর্দিনে তৃণমূল নেতাকর্মীদের বুকে সাহস জোগাতে এবং বিএনপিকে সুসংগঠিত করতে আজাদ খান লড়াই করে গেছেন এক অদম্য সংগ্রামে।
সজ্জন ও বিনয়ী তৃণমূলের এই নেতাকে দলের মূল্যায়ন করার সময় হয়েছে। জনগণের অধিকার আদায় এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে আজাদ খানের কোনো বিকল্প নেই। ইউনিয়নের তরুণ সমাজ ও সর্বস্তরের মানুষের প্রাণপ্রিয় এই নেতাকে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ তার অনুসারীরা।
তিনি ১৯৯৮ সালে শ্রীপুর- খরণদ্বীপ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, ২০১১ সালে ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি, ২০১৮ সাল থেকে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
পাশাপাশি দেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রাম, লং মার্চ, হরতাল, অসহযোগ আন্দোলন, মিটিং, মিছিল, সমাবেশ, জনসভা, গণসংযোগসহ বিভিন্ন দলীয় কর্মসূচীতে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।তিনি বিভিন্নভাবে অত্যাচার, নির্যাতন ও নিপীড়ন ও মামলার শিকার হয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, আজাদ খান প্রতিবাদী, ন্যায়পরায়ণ ও আদর্শবান মানুষ। সাধারণ মানুষের সাথে মিশতে পারা তার অন্যতম গুণ। ইতিমধ্যে এলাকাবাসীর মাঝে তার গ্রহণযোগ্য অবস্থান তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যুবসমাজ তাকে এলাকার ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবে দেখতে চান। তিনি রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি সামাজিক অঙ্গনেও সম্পৃক্ত রয়েছেন।