
অরুণ নাথ :
চট্টগ্রাম সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, বরেণ্য শিক্ষাবিদ ও গবেষক প্রফেসর মোহাম্মদ মোজাহেদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চললে একজন মানুষের জীবন পরিশুদ্ধ হয়। গীতার উদার মানবীয় আদর্শ সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করে। আজকের শিশু-শিক্ষার্থীরা আলোকিত নাগরিক হয়ে একদিন দেশগঠনে ভূমিকা রাখবে। তাদেরকে কুসংস্কারমুক্ত ও বিজ্ঞানমনস্ক করে গড়ে তুলতে হবে। অর্জুন বা বিবেকানন্দের মত আদর্শ জীবনী থেকে শিক্ষা লাভ করবে। তাই শিশু-কিশোরদের সু-শিক্ষার বিষয়ে অভিভাবকমহলকে যত্নশীল ও সচেতন হতে হবে।
আজ ১৪ আগস্ট, সকাল ১০ টায় বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি (বাগীশিক) পরিচালিত আন্দরকিল্লাস্থ গীতাধ্বনি সনাতন বিদ্যামন্দির আয়োজিত নবীন শিক্ষার্থীবরণ, গুণীজন সম্মাননা প্রদান ও শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
প্রতিষ্ঠানের পরিচালক, সাবেক কলেজ প্রভাষক পলাশ কান্তি নাথ রণীর সভাপতিত্বে ও প্রশিক্ষক চুমকি চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ছিলেন মেরিন সিটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ প্রফেসর (ডাঃ) সুযত পাল, বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার দেবব্রত কর, ঁঅভয়মিত্র মহাশ্মশান পরিচালনা পরিষদ (চসিক) এর সভাপতি আশুতোষ দে, চট্টগ্রাম ঘাটফরহাদবেগ পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অমল কান্তি ধর এবং প্রধান বক্তা ছিলেন বাগীশিক চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি প্রকৌশলী সঞ্জয় চক্রবর্ত্তী (মানিক), বিশেষ বক্তা ছিলেন সমাজসেবক জয়শ্রী কর, শিক্ষক বিপন্না দাশ, নারীনেত্রী শর্মি সেনগুপ্তা ও ডাক্তার কণিকা চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে সংগীতশিল্পী কৃপা দাশ, চিত্রনায়িকা ত্রিধা পাল মান, আবৃত্তিশিল্পী- কবি প্রতিমা দাশ এবং কবি-প্রাবন্ধিক রিনিক পাল মুন-কে কৃতীজন হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। কৃতী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সামগ্রী ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।