বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আনোয়ারায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনে অভিযান, ৩ জনকে অর্থ ও কারাদণ্ড কর্নফুলীতে দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি পালন আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলায় ইউপি নির্বাচনে বিএনপির কাঁটা হবে ” বিদ্রোহী প্রার্থী  “ চন্দনাইশে ভূমি বিরোধ নিয়ে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন আনোয়ারায় মন্দিরের দানবাক্সের টাকা ও পূজার সামগ্রী চুরি আনোয়ারায় মাদক সেবন অবস্থায় আটক ৪ জনের কারাদণ্ড কলকাতার”রবীন্দ্র সদনে” ছন্দে ও আনন্দে”আয়োজিত নানা রঙের গান জাতীয় বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদ এর উদ্যোগে কক্সবাজারের রামুতে বৃক্ষ রোপন শ্রীরামপুরে প্যারামাউন্ট হসপিটালের উদ্যোগে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প উদ্বোধন বোয়ালখালীতে মাদ্রাসাছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর আগে ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট, তদন্তে পুলিশ

কলকাতার সুজাতা সদনে ‘মায়ামৈত্রী’র বর্ণাঢ্য সুর ও নৃত্যের মূর্চ্ছনা

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬
  • ৭২ বার পড়া হয়েছে

তরুণ বিশ্বাস,কলকাতা—

শিল্প,সৌন্দর্য ও সংস্কৃতির এক অনন্য মিলনমেলা ২৬ জুন শুক্রবার ২০২৬ সন্ধ্যায় কলকাতার সুজাতা সদনে অনুষ্ঠিত হল বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক নৃত্যানুষ্ঠান ‘মায়ামৈত্রী’। সহচরী নৃত্যায়ন, কণিকা ডান্স অ্যাকাডেমি এবং নটরাজ কলাবিদ্যা-র যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের পরিচালনায় নৃত্য শিক্ষিকা মামনি গিরি, কণিকা হাজরা এবং মৌসুমী ব্যানার্জী। অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধনের পর একের পর এক মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশনায় মুগ্ধ হয়ে ওঠেন উপস্থিত দর্শকরা। শাস্ত্রীয়, রবীন্দ্র,লোকনৃত্য ও সৃজন শীল নৃত্য পরিবেশনার অপূর্ব সমন্বয়ে শিল্পীরা তাঁদের অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দেন। প্রতিটি পরিবেশনাই দর্শকদের উচ্ছ্বসিত করতালিতে বারবার মুখরিত হয়ে ওঠে। প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজসেবী ড.সুকান্ত কুমার হালদার,সমাজ সেবী ও সাংবাদিক ড.সাস্বতী দাস,অভিনেতা জয় অনুধাব, সাংবাদিক এলীনা ভট্টাচার্য এবং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ডিরেক্টর মেঘনা হালদার। অতিথিরা তাঁদের বক্তব্যে শিল্পচর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং আয়োজকদের আন্তরিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন সঞ্জ মণ্ডল ও এলীনা ভট্টাচার্য। তাঁদের প্রাণবন্ত ও সাবলীল উপস্থাপনা অনুষ্ঠানকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। সর্বোপরি,‘মায়ামৈত্রী’ শুধুমাত্র একটি নৃত্যানুষ্ঠান নয়,বরং শিল্প,সংস্কৃতি, সৌহার্দ্য ও সৃজনশীল তার এক অপূর্ব উৎসবে পরিণত হয়। নৃত্যশিল্পী দের অন বদ্য পরিবেশনা এবং দর্শকদের আন্তরিক ভালোবাসায় সুজাতা সদনের প্রেক্ষাগৃহ এক স্মরণীয় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার সাক্ষী হয়ে থাকে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

সাফল্যের আলোয় নেপথ্যে এ আর পিয়াস মো আবদুল করিম সোহাগ একটি বিজ্ঞাপনে কয়েক সেকেন্ডের উপস্থিতিই কখনো একটি চরিত্রকে দর্শকের মনে গেঁথে দিতে পারে। কারও চোখের অভিব্যক্তি, কারও কথার ধরন কিংবা পর্দায় উপস্থিতির স্বাভাবিকতাই বদলে দিতে পারে পুরো বিজ্ঞাপনের আবহ। কিন্তু সেই চরিত্রের জন্য ঠিক মানুষটিকে খুঁজে বের করার কাজটি শুরু হয় ক্যামেরা চালুর অনেক আগেই। সেই নেপথ্যের কাজটিই করেন একজন কাস্টিং ডিরেক্টর। আর বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে এই দায়িত্ব পালন করে আসছেন এ আর পিয়াস। টেলিভিশন বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে ফটোশুট, ডিজিটাল কনটেন্ট ও বিভিন্ন অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রজেক্টে উপযুক্ত শিল্পী নির্বাচনের মাধ্যমে নির্মাতা, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ডের ভাবনাকে পর্দায় বাস্তব রূপ দিতে কাজ করছেন তিনি। একটি চরিত্রের জন্য কাকে নেওয়া হবে, সেটি শুধুই চেহারা দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয় নয়। চরিত্রটির বয়স, ব্যক্তিত্ব, শারীরিক উপস্থিতি, অভিব্যক্তি, অভিনয়ের দক্ষতা, কথাবলার ধরন থেকে শুরু করে গল্পের সঙ্গে তার স্বাভাবিক সামঞ্জস্য, সবকিছুই বিবেচনায় রাখতে হয়। কখনো পরিচিত একজন অভিনয়শিল্পীর বদলে একেবারে নতুন কাউকে বেছে নেওয়াই হয়ে উঠতে পারে সঠিক সিদ্ধান্ত। এ আর পিয়াসের কাজের দর্শনও অনেকটা সেখানেই। তার কাছে কাস্টিং মানে পরিচিত মুখের তালিকা থেকে একজনকে বেছে নেওয়া নয়। বরং গল্পের প্রয়োজন বুঝে এমন একজনকে খুঁজে বের করা, যাকে চরিত্রটির মধ্যে স্বাভাবিকভাবে দেখা যায়। কারণ তার মতে, অভিনয়শিল্পী ও চরিত্রের মধ্যে মিল তৈরি না হলে ভালো গল্প কিংবা বড় বাজেটের নির্মাণও দর্শকের কাছে প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারে না। কাজটি তাই শুরু হয় স্ক্রিপ্ট পড়া কিংবা নির্মাতার ব্রিফ বোঝার মধ্য দিয়ে। চরিত্রটির প্রয়োজন কী, তাকে পর্দায় কেমন দেখাতে হবে, তার বয়স বা ব্যক্তিত্ব কেমন হওয়া উচিত, অভিনয়ের ক্ষেত্রে কী ধরনের সক্ষমতা প্রয়োজন, এসব বিষয় বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য শিল্পীদের খুঁজে বের করেন কাস্টিং ডিরেক্টর। এরপর অডিশন, স্ক্রিন টেস্ট কিংবা অন্যান্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের যাচাই করে নির্মাতা ও সংশ্লিষ্ট টিমের সামনে উপযুক্ত প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। বিজ্ঞাপনের জগতে এ আর পিয়াসের কাজের পরিধিও বেশ বিস্তৃত। সাম্প্রতিক সময়ে তার কাস্টিং করা উল্লেখযোগ্য টেলিভিশন বিজ্ঞাপনের মধ্যে রয়েছে গ্রামীণফোন, সেভয় আইসক্রিম, সখী স্যানিটারি ন্যাপকিন, ওয়ালটন রেফ্রিজারেটর, বিকাশ, ইনফিনিক্স মোবাইল, কুমারিকা হেয়ার অয়েল, ক্লোজআপ, লাইফবয়, সার্ফ এক্সেল, রিয়েলমি ফোন, ভ্যাসলিন, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি, অপো মোবাইল, মার্ক্স পাউডার মিল্ক ও আকিজ ড্রিংকিং ওয়াটারসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কাজ। তবে বিজ্ঞাপনের পরিসর এখন আর শুধু টেলিভিশনকেন্দ্রিক নেই। ওভিসি, ডিজিটাল বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ড কনটেন্ট, ফটোশুট, মিউজিক ভিডিও থেকে শুরু করে বিভিন্ন অডিও-ভিজ্যুয়াল ও ওটিটি প্রজেক্টেও চরিত্র ও ট্যালেন্টের প্রয়োজন বাড়ছে। একই সঙ্গে বদলেছে শিল্পী খোঁজার মাধ্যমও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের কারণে এখন অনেক নতুন মুখ সহজেই নিজের প্রতিভা তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছেন। তাদের মধ্য থেকে একটি নির্দিষ্ট চরিত্রের জন্য উপযুক্ত শিল্পী খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে কাস্টিং ডিরেক্টরের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নির্মাতা ও নতুন ট্যালেন্টের মধ্যে এই জায়গাটিই অনেকটা সেতুর মতো কাজ করে। এ আর পিয়াস মনে করেন, প্রতিটি মানুষের মধ্যেই আলাদা কোনো না কোনো সম্ভাবনা থাকে। সেই সম্ভাবনাকে চিহ্নিত করে সঠিক চরিত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়াই একজন কাস্টিং ডিরেক্টরের বড় দায়িত্ব। ফলে তার কাজের লক্ষ্য শুধু পরিচিত শিল্পীদের নিয়ে কাজ করা নয়, চরিত্রের প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন প্রতিভাকেও সামনে নিয়ে আসা। বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে সময়ের সীমাবদ্ধতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই একটি গল্প, আবেগ কিংবা ব্র্যান্ডের বার্তা দর্শকের কাছে পৌঁছে দিতে হয়। সেই অল্প সময়ের মধ্যে চরিত্রটি যদি বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠতে পারে, তাহলে বিজ্ঞাপনের প্রভাবও অনেক বেড়ে যায়। আর সেই বিশ্বাসযোগ্যতার শুরুটা হয় সঠিক মানুষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। এ কারণেই বিজ্ঞাপনের পর্দায় একজন অভিনয়শিল্পীকে যতটা দেখা যায়, তার পেছনে থাকা কাস্টিং প্রক্রিয়াটিও ততটাই গুরুত্বপূর্ণ। এ আর পিয়াস সেই নেপথ্যের কাজটিকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়ে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। আগামী দিনে বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন ও মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিতে কাস্টিংকে আরও পেশাদার ও বিস্তৃত পরিসরে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে তার। নতুন ও অভিজ্ঞ শিল্পীদের সমন্বয়ে নির্মাতা ও ব্র্যান্ডের প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ট্যালেন্ট খুঁজে দেওয়ার কাজটিকেই আরও বড় পরিসরে এগিয়ে নিতে চান তিনি। কারণ একটি বিজ্ঞাপনের সাফল্যের গল্পে ক্যামেরার সামনে থাকা মুখগুলো যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সেই মুখগুলোকে গল্পের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়ার নেপথ্যের কারিগরও কম গুরুত্বপূর্ণ নন। সেই নেপথ্যের কারিগরদের একজন হিসেবেই নিজের জায়গা তৈরি করছেন কাস্টিং ডিরেক্টর এ আর পিয়াস

©2020 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102