বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি-:
চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ফারুক। প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ।
সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতেমা, বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাফফর হোসেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, জেলা বিএনপির সদস্য শওকত আলম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইসহাক চৌধুরী, সদস্য সচিব ও চেয়ারম্যান হামিদুল হক, নুরুন্নবী চৌধুরী, বোয়ালখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম, সাংবাদিক এসএম মোদাচ্ছের, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব আবু আকতার, বোয়ালখালী পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি স্বপন শীল ও সাধারণ সম্পাদক প্রলয় চৌধুরী মুক্তি।
এ ছাড়া সভায় সনাতন সমাজের নেতৃবৃন্দ, বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, ফায়ার সার্ভিস ও আনসার-ভিডিপির প্রতিনিধিসহ উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা, সাংবাদিক প্রতিনিধি এবং উপজেলার ৯৭টি পূজামণ্ডপের পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আসন্ন দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যানজট নিরসন ও জনসাধারণের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বিশেষ করে শাকপুরা, গোমদণ্ডী ফুলতল, গোমদণ্ডী পৌরসভা সদর, কানুনগোপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় যানজট নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাসহ প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানানো হয়।
পূজামণ্ডপের অভ্যন্তরে মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের ব্যবহার, ইভটিজিং, কিশোর গ্যাংসহ যেকোনো ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সভায় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, উপজেলা প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে দুর্গাপূজার সার্বিক নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেওয়া হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রশাসনের পাশাপাশি রাজনৈতিক দল, জনপ্রতিনিধি, পূজা উদযাপন কমিটি এবং সর্বস্তরের জনগণকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।