
–তরুণ বিশ্বাস,কলকাতা-—
দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা,উদ্বোধন হলো AIC-Techno এর ২৬ জুলাই রবিবার ২০২৬, বিশ্ব বাংলা মেলা প্রাঙ্গণে জাঁক জমক পূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির বার্ষিক সমাবর্তন- 2026। এদিন ২০২৫- ২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক,স্নাতকোত্তর,ডক্টরেট এবং স্বর্ণপদক প্রাপ্ত ছাত্র ছাত্রীদের হাতে আনুষ্ঠানিক ভাবে ডিগ্রি তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীতি আয়োগের ভাইস-চেয়ারপার্সন ড. অশোক কুমার লাহিড়ী। তাঁর হাত দিয়েই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় Atal Incubation Centre Techno Innovation and Incubation Council AIC-Techno এর,যা পশ্চিমবঙ্গের উদ্ভাবন ও স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে সম্মান সূচক ডক্টর অব লেটার্স D.Litt. উপাধিতে সম্মানিত করা হয়। সম্মান প্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন অলিম্পিকের প্রথম ভারতীয় ব্যক্তি গত স্বর্ণপদক জয়ী অভিনব বিন্দ্রা, আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন গায়ক অনুপ জালোটা, প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা রাজকুমার হিরানি, বিশিষ্ট সাহিত্যিক শিবশঙ্করী চন্দ্রশেখর, মহাকাশ বিজ্ঞানী ড.পি.বীরামুথুভেল চন্দ্রযান-৩ প্রকল্প পরিচালক,খ্যাতনামা ক্যানসার সার্জন ড. শৈলেশ ভি.শ্রীখণ্ডে, ড.নরেশ চন্দ্র মুর্মু,কিংব দন্তি অভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় এবং শিল্পপতি রবীন্দ্র চামারিয়া। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর প্রফেসর ড.গৌতম রায় চৌধুরী বলেন,সমাবর্তন শুধুমাত্র শিক্ষা জীবনের সমাপ্তি নয়,বরং নেতৃত্ব, উদ্ভাবন ও সমাজ সেবার নতুন অধ্যায়ের সূচনা। তিনি শিক্ষার্থীদের সততা,সাহস ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কো- চ্যান্সেলর প্রফেসর মনোশ্রী রায় চৌধুরী বলেন,বর্তমান সময়ে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের সঙ্গে মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের সাফল্যের পাশাপাশি তাঁদের পরিবার,শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন তিনি। এদিন AIC-Techno- এর উদ্বোধনের মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে ৫০০-রও বেশি স্টার্টআপ গড়ে তোলার লক্ষ্যের কথা ঘোষণা করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় জানায়, এই ইনকিউবেশন সেন্টার উদ্যোক্তাদের গবেষণা,মেন্টরশিপ,শিল্পক্ষেত্রের সহ যোগিতা এবং জাতীয় স্তরের সুযোগ-সুবিধা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। উল্লেখ্য,টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহত্তম বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষা,গবেষণা,উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা তৈরির ক্ষেত্রে তাদের এই উদ্যোগ রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ও স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।