শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হিলিতে পূজামন্ডপ পরিদর্শনে ২০ বিজিবি অধিনায়ক,অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস আনোয়ারায় সমাজসেবক রণধীর দত্ত এর পক্ষে  সেবা সংঘে বস্ত্র বিতরণ কলকাতায় প্রাক্তন বিধায়িকা স্মিতা বক্সী অনুপ্রেরণা দূর্গা উৎসবে বস্ত্র বিতরণ বোয়ালখালীতে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনে ডিসি-এসপি শারদীয় দুর্গোৎসবে মন্ডপগুলোতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তা জোরদার চট্টগ্রাম প্রবাসী ক্লাবের যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি হলেন সাবেক সেনা সদস্য ইব্রাহিম খলিল তথ্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় সচেতন নাগরিক ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনের বিকল্প নেই: RTI Fair 2026-এ বক্তারা আনোয়ারায় প্রতিমা বহনকারী গাড়ীর সাথে ধাক্কার জেরে প্রতিমালয়ে হামলা  হিলিতে একজন ভারতীয় নাগরিক ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি সহ আটক ২ আওয়ামীলীগ নেতার পারিবারিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন এমপি, সমালোচনার ঝড়

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে সিলেটে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬
  • ১৪৫ বার পড়া হয়েছে

 

উৎফল বড়ুয়া, ব্যুরো প্রধান, সিলেট

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেল সিলেট নগরের চৌহাট্টা এলাকায় নির্মিত ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতাল। সোমবার (১৫ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এ তথ্য জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

এক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আজ সিলেটে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে এবং সাধারণ মানুষ আধুনিক চিকিৎসাসেবার অধিকতর সুযোগ পাবে। সিলেটবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে এই উদ্যোগের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই। সিলেটের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক।’

সিলেটবাসীর বহুল প্রত্যাশিত এ হাসপাতালটি নির্মাণ করা হয় নগরের ঐতিহ্যবাহী আবু সিনা ছাত্রাবাসের স্থানে। নাগরিক সমাজের আপত্তি উপেক্ষা করে তৎকালীন সরকারের সময়ে প্রায় ৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়। ২০২৩ সালে নির্মাণকাজ শেষ হলেও পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ নির্ধারণসহ বিভিন্ন জটিলতায় হাসপাতালটি চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন ভবনটি দীর্ঘদিন প্রায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল।

২০১৯ সালের জানুয়ারিতে প্রায় ৬ দশমিক ৯৮ একর জমির ওপর হাসপাতালটির নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে নির্মাণকাজের দায়িত্ব পায় পদ্মা অ্যাসোসিয়েশন অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া নির্মাণকাজ পরে সম্পন্ন হয়।

১৫ তলা নকশার ভবনটির আট তলা পর্যন্ত নির্মাণ শেষ হয়েছে। হাসপাতালটিতে রয়েছে আইসিইউ, সিসিইউ, আধুনিক অপারেশন থিয়েটার, ডায়াগনস্টিক সুবিধা, বহির্বিভাগ, ওয়ার্ড এবং কেবিন। এর মধ্যে ১৯টি আইসিইউ বেড, ৯টি সিসিইউ বেড ও ৪০টি কেবিন রয়েছে।

হাসপাতালটি চালুর বিষয়ে গত কয়েক মাস ধরে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। গত ২০ এপ্রিল তিনি হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন। পরে বিভিন্ন সময়ে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত হাসপাতালটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া গত ৩১ মে সিলেটের মুসলিম সাহিত্য সংসদে এক অনুষ্ঠানে তিনি ঘোষণা দেন, শিগগিরই ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হবে। একই সঙ্গে সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১ হাজার ২০০ শয্যার একটি অত্যাধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102