বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফের আলোচনায় অভিনেত্রী নওরিন আজাদ ভারত কনক্লেভ ২.০-তে উন্নত বাংলা থেকে উন্নত ভারতের লক্ষ্যে সুশাসনের বার্তা ফটিকছড়ি সীমান্তে সেনা অভিযানে ১৬ লাখ টাকার কাঠ-বাঁশ জব্দ সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বলতে কিছু নেই, সবাই এই শহরের বাসিন্দা: সিসিক প্রশাসক স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সিলেটে র‌্যালি ও সমাবেশ বার্ষিক সম্মেলনের বিষয়বস্তু ঘোষণা করল “Re-‌Imagining Bengal *কালিপুর স্কুলে সিএসআর-এর অধীনে মেয়েদের শৌচাগার নির্মাণ করল কানারা ব্যাংক* এনডিএম চেয়ারম্যান ও প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সাথে চট্টগ্রাম এনডিএম নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় আজাদ ভারত কনক্লেভ ২.০-তে উন্নত বাংলা থেকে উন্নত ভারতের লক্ষ্যে সুশাসনের বার্তা সাফল্যের আলোয় নেপথ্যে এ আর পিয়াস মো আবদুল করিম সোহাগ একটি বিজ্ঞাপনে কয়েক সেকেন্ডের উপস্থিতিই কখনো একটি চরিত্রকে দর্শকের মনে গেঁথে দিতে পারে। কারও চোখের অভিব্যক্তি, কারও কথার ধরন কিংবা পর্দায় উপস্থিতির স্বাভাবিকতাই বদলে দিতে পারে পুরো বিজ্ঞাপনের আবহ। কিন্তু সেই চরিত্রের জন্য ঠিক মানুষটিকে খুঁজে বের করার কাজটি শুরু হয় ক্যামেরা চালুর অনেক আগেই। সেই নেপথ্যের কাজটিই করেন একজন কাস্টিং ডিরেক্টর। আর বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে এই দায়িত্ব পালন করে আসছেন এ আর পিয়াস। টেলিভিশন বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে ফটোশুট, ডিজিটাল কনটেন্ট ও বিভিন্ন অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রজেক্টে উপযুক্ত শিল্পী নির্বাচনের মাধ্যমে নির্মাতা, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ডের ভাবনাকে পর্দায় বাস্তব রূপ দিতে কাজ করছেন তিনি। একটি চরিত্রের জন্য কাকে নেওয়া হবে, সেটি শুধুই চেহারা দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয় নয়। চরিত্রটির বয়স, ব্যক্তিত্ব, শারীরিক উপস্থিতি, অভিব্যক্তি, অভিনয়ের দক্ষতা, কথাবলার ধরন থেকে শুরু করে গল্পের সঙ্গে তার স্বাভাবিক সামঞ্জস্য, সবকিছুই বিবেচনায় রাখতে হয়। কখনো পরিচিত একজন অভিনয়শিল্পীর বদলে একেবারে নতুন কাউকে বেছে নেওয়াই হয়ে উঠতে পারে সঠিক সিদ্ধান্ত। এ আর পিয়াসের কাজের দর্শনও অনেকটা সেখানেই। তার কাছে কাস্টিং মানে পরিচিত মুখের তালিকা থেকে একজনকে বেছে নেওয়া নয়। বরং গল্পের প্রয়োজন বুঝে এমন একজনকে খুঁজে বের করা, যাকে চরিত্রটির মধ্যে স্বাভাবিকভাবে দেখা যায়। কারণ তার মতে, অভিনয়শিল্পী ও চরিত্রের মধ্যে মিল তৈরি না হলে ভালো গল্প কিংবা বড় বাজেটের নির্মাণও দর্শকের কাছে প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারে না। কাজটি তাই শুরু হয় স্ক্রিপ্ট পড়া কিংবা নির্মাতার ব্রিফ বোঝার মধ্য দিয়ে। চরিত্রটির প্রয়োজন কী, তাকে পর্দায় কেমন দেখাতে হবে, তার বয়স বা ব্যক্তিত্ব কেমন হওয়া উচিত, অভিনয়ের ক্ষেত্রে কী ধরনের সক্ষমতা প্রয়োজন, এসব বিষয় বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য শিল্পীদের খুঁজে বের করেন কাস্টিং ডিরেক্টর। এরপর অডিশন, স্ক্রিন টেস্ট কিংবা অন্যান্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের যাচাই করে নির্মাতা ও সংশ্লিষ্ট টিমের সামনে উপযুক্ত প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। বিজ্ঞাপনের জগতে এ আর পিয়াসের কাজের পরিধিও বেশ বিস্তৃত। সাম্প্রতিক সময়ে তার কাস্টিং করা উল্লেখযোগ্য টেলিভিশন বিজ্ঞাপনের মধ্যে রয়েছে গ্রামীণফোন, সেভয় আইসক্রিম, সখী স্যানিটারি ন্যাপকিন, ওয়ালটন রেফ্রিজারেটর, বিকাশ, ইনফিনিক্স মোবাইল, কুমারিকা হেয়ার অয়েল, ক্লোজআপ, লাইফবয়, সার্ফ এক্সেল, রিয়েলমি ফোন, ভ্যাসলিন, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি, অপো মোবাইল, মার্ক্স পাউডার মিল্ক ও আকিজ ড্রিংকিং ওয়াটারসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কাজ। তবে বিজ্ঞাপনের পরিসর এখন আর শুধু টেলিভিশনকেন্দ্রিক নেই। ওভিসি, ডিজিটাল বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ড কনটেন্ট, ফটোশুট, মিউজিক ভিডিও থেকে শুরু করে বিভিন্ন অডিও-ভিজ্যুয়াল ও ওটিটি প্রজেক্টেও চরিত্র ও ট্যালেন্টের প্রয়োজন বাড়ছে। একই সঙ্গে বদলেছে শিল্পী খোঁজার মাধ্যমও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের কারণে এখন অনেক নতুন মুখ সহজেই নিজের প্রতিভা তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছেন। তাদের মধ্য থেকে একটি নির্দিষ্ট চরিত্রের জন্য উপযুক্ত শিল্পী খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে কাস্টিং ডিরেক্টরের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নির্মাতা ও নতুন ট্যালেন্টের মধ্যে এই জায়গাটিই অনেকটা সেতুর মতো কাজ করে। এ আর পিয়াস মনে করেন, প্রতিটি মানুষের মধ্যেই আলাদা কোনো না কোনো সম্ভাবনা থাকে। সেই সম্ভাবনাকে চিহ্নিত করে সঠিক চরিত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়াই একজন কাস্টিং ডিরেক্টরের বড় দায়িত্ব। ফলে তার কাজের লক্ষ্য শুধু পরিচিত শিল্পীদের নিয়ে কাজ করা নয়, চরিত্রের প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন প্রতিভাকেও সামনে নিয়ে আসা। বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে সময়ের সীমাবদ্ধতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই একটি গল্প, আবেগ কিংবা ব্র্যান্ডের বার্তা দর্শকের কাছে পৌঁছে দিতে হয়। সেই অল্প সময়ের মধ্যে চরিত্রটি যদি বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠতে পারে, তাহলে বিজ্ঞাপনের প্রভাবও অনেক বেড়ে যায়। আর সেই বিশ্বাসযোগ্যতার শুরুটা হয় সঠিক মানুষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। এ কারণেই বিজ্ঞাপনের পর্দায় একজন অভিনয়শিল্পীকে যতটা দেখা যায়, তার পেছনে থাকা কাস্টিং প্রক্রিয়াটিও ততটাই গুরুত্বপূর্ণ। এ আর পিয়াস সেই নেপথ্যের কাজটিকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়ে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। আগামী দিনে বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন ও মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিতে কাস্টিংকে আরও পেশাদার ও বিস্তৃত পরিসরে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে তার। নতুন ও অভিজ্ঞ শিল্পীদের সমন্বয়ে নির্মাতা ও ব্র্যান্ডের প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ট্যালেন্ট খুঁজে দেওয়ার কাজটিকেই আরও বড় পরিসরে এগিয়ে নিতে চান তিনি। কারণ একটি বিজ্ঞাপনের সাফল্যের গল্পে ক্যামেরার সামনে থাকা মুখগুলো যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সেই মুখগুলোকে গল্পের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়ার নেপথ্যের কারিগরও কম গুরুত্বপূর্ণ নন। সেই নেপথ্যের কারিগরদের একজন হিসেবেই নিজের জায়গা তৈরি করছেন কাস্টিং ডিরেক্টর এ আর পিয়াস
চট্টগ্রাম

আনোয়ারায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় পলাতক আসামিদের গ্রেফতার ও  বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

আনোয়ারা  ( চট্টগ্রাম )  প্রতিনিধি চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় মাদ্রাসার ইবতেদায়ী তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় নয় দিন পেরিয়ে গেলেও মামলার প্রধান ও অন্যান্য আসামিরা এখনো পলাতক রয়েছে। এ

আরো পড়ুন

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান

পলাশ সেন চট্টগ্রাম রবিবার ৬ই মে সকাল সাড়ে এগারটায়  বাংলাদেশ সনাতন পার্টি ( BSP) চট্টগ্রাম জেলা কমিটি কর্তৃক স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। সারাদেশে চলমান ধারাবাহিক সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে “সংখ্যালঘু সুরক্ষা

আরো পড়ুন

প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা না হলেও বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ে শোক ও স্মৃতিচারণ সভা করছেন ” আনোয়ারা ফাউন্ডেশন  “

আনোয়ারা প্রতিনিধি ‎আনোয়ারা উপজেলার পড়ৈকোড়া গ্রামের সদ্য প্রয়াত সুভাষ চৌধুরীর মৃত্যুতে আনোয়ারা ফাউন্ডেশন নামে একটি সংগঠন আগামী ৭ মে চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউট  ( টি আই সি)  এর গ্যালারী হলে শোক

আরো পড়ুন

চাতরী চৌমুহনীতে সওজের উচ্ছেদ অভিযান: দখলমুক্ত হচ্ছে  সড়ক

‎ আনোয়ারা, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ‎ আনোয়ারা উপজেলার প্রাণকেন্দ্র চাতরী চৌমুহনী বাজারে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের অধিগ্রহণকৃত জায়গায় পরিচালিত উচ্ছেদ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন জনসাধারণ। দীর্ঘদিন ধরে দখলবাজদের কবলে থাকা গুরুত্বপূর্ণ

আরো পড়ুন

কালুরঘাট সেতু বাস্তবায়ন হলে শহরের সকল সুবিধা উপভোগ করবে বোয়ালখালীবাসী: এরশাদ উল্লাহ এমপি

বিপ্লব দাস : বিশেষ প্রতিনিধি -: ‎চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ বলেছেন, কালুরঘাট সেতু বাস্তবায়ন হলে শহরের সকল সুবিধা উপভোগ করবে বোয়ালখালীবাসী। তিনি খুব দ্রুত এই সেতুর

আরো পড়ুন

‎‘শিক্ষা, ক্রীড়া ও সমাজসেবার এক উজ্জ্বল নাম প্রকৃতি রঞ্জন দত্ত’ ‎

প্রথম ডেক্স  ‎ ‎শিক্ষাবিদ প্রকৃতি রঞ্জন দত্ত ছিলেন একাধারে একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক, সফল ক্রীড়াবিদ এবং সমাজ সংস্কারক ছিলেন উল্লেখ করে চট্টগ্রাম-১৩ সংসদ সদস্য সরওয়ার নিজাম বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর অবদান ছিল

আরো পড়ুন

বোয়ালখালীতে শিক্ষক শিল্পী রাণী দত্তের অবসরজনিত বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

বিপ্লব দাস বিশেষ প্রতিনিধি -: বোয়ালখালী উপজেলার পশ্চিম সারোয়াতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শিল্পী রাণী দত্তের অবসরজনিত বিদায় অনুষ্ঠান সোমবার (৪ মে) দুপুরে স্কুল প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান

আরো পড়ুন

আনোয়ারা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অসীম দেবের বাড়ীতে দুর্ধর্ষ চুরি

আনোয়ারা ( চট্টগ্রাম )  প্রতিনিধি ‎চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার ৭ নং সদর ইউনিয়ন পরিষদের দুইবারের  চেয়ারম্যান অসীম কুমার দেবের বাড়ীতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। ‎রবিবার ( ৩ মে)  দিবাগত রাতে এই

আরো পড়ুন

শিক্ষাবিদ প্রকৃতি রঞ্জনের নাগরিক শোকসভা আজ

আনোয়ারা ( চট্টগ্রাম )  প্রতিনিধি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজসংগঠক আনোয়ারার কৃতি সন্তান প্রকৃতি রঞ্জন দত্তের স্মরণে এক নাগরিক শোকসভার আয়োজন করা হয়েছে। আজ সোমবার (৪ মে) বিকাল ৪টায় নগরের থিয়েটার

আরো পড়ুন

আনোয়ারায় আওয়ামী লীগ নেতা সৈকত দত্ত আটক

আনোয়ারা প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের কার্যক্রম সক্রিয় রাখার অভিযোগে সৈকত দত্ত নামের এক নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (২ মে) বিকেলে উপজেলার কৈনপুরা গ্রামের নিজ

আরো পড়ুন

সাফল্যের আলোয় নেপথ্যে এ আর পিয়াস মো আবদুল করিম সোহাগ একটি বিজ্ঞাপনে কয়েক সেকেন্ডের উপস্থিতিই কখনো একটি চরিত্রকে দর্শকের মনে গেঁথে দিতে পারে। কারও চোখের অভিব্যক্তি, কারও কথার ধরন কিংবা পর্দায় উপস্থিতির স্বাভাবিকতাই বদলে দিতে পারে পুরো বিজ্ঞাপনের আবহ। কিন্তু সেই চরিত্রের জন্য ঠিক মানুষটিকে খুঁজে বের করার কাজটি শুরু হয় ক্যামেরা চালুর অনেক আগেই। সেই নেপথ্যের কাজটিই করেন একজন কাস্টিং ডিরেক্টর। আর বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে এই দায়িত্ব পালন করে আসছেন এ আর পিয়াস। টেলিভিশন বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে ফটোশুট, ডিজিটাল কনটেন্ট ও বিভিন্ন অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রজেক্টে উপযুক্ত শিল্পী নির্বাচনের মাধ্যমে নির্মাতা, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ডের ভাবনাকে পর্দায় বাস্তব রূপ দিতে কাজ করছেন তিনি। একটি চরিত্রের জন্য কাকে নেওয়া হবে, সেটি শুধুই চেহারা দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয় নয়। চরিত্রটির বয়স, ব্যক্তিত্ব, শারীরিক উপস্থিতি, অভিব্যক্তি, অভিনয়ের দক্ষতা, কথাবলার ধরন থেকে শুরু করে গল্পের সঙ্গে তার স্বাভাবিক সামঞ্জস্য, সবকিছুই বিবেচনায় রাখতে হয়। কখনো পরিচিত একজন অভিনয়শিল্পীর বদলে একেবারে নতুন কাউকে বেছে নেওয়াই হয়ে উঠতে পারে সঠিক সিদ্ধান্ত। এ আর পিয়াসের কাজের দর্শনও অনেকটা সেখানেই। তার কাছে কাস্টিং মানে পরিচিত মুখের তালিকা থেকে একজনকে বেছে নেওয়া নয়। বরং গল্পের প্রয়োজন বুঝে এমন একজনকে খুঁজে বের করা, যাকে চরিত্রটির মধ্যে স্বাভাবিকভাবে দেখা যায়। কারণ তার মতে, অভিনয়শিল্পী ও চরিত্রের মধ্যে মিল তৈরি না হলে ভালো গল্প কিংবা বড় বাজেটের নির্মাণও দর্শকের কাছে প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারে না। কাজটি তাই শুরু হয় স্ক্রিপ্ট পড়া কিংবা নির্মাতার ব্রিফ বোঝার মধ্য দিয়ে। চরিত্রটির প্রয়োজন কী, তাকে পর্দায় কেমন দেখাতে হবে, তার বয়স বা ব্যক্তিত্ব কেমন হওয়া উচিত, অভিনয়ের ক্ষেত্রে কী ধরনের সক্ষমতা প্রয়োজন, এসব বিষয় বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য শিল্পীদের খুঁজে বের করেন কাস্টিং ডিরেক্টর। এরপর অডিশন, স্ক্রিন টেস্ট কিংবা অন্যান্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের যাচাই করে নির্মাতা ও সংশ্লিষ্ট টিমের সামনে উপযুক্ত প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। বিজ্ঞাপনের জগতে এ আর পিয়াসের কাজের পরিধিও বেশ বিস্তৃত। সাম্প্রতিক সময়ে তার কাস্টিং করা উল্লেখযোগ্য টেলিভিশন বিজ্ঞাপনের মধ্যে রয়েছে গ্রামীণফোন, সেভয় আইসক্রিম, সখী স্যানিটারি ন্যাপকিন, ওয়ালটন রেফ্রিজারেটর, বিকাশ, ইনফিনিক্স মোবাইল, কুমারিকা হেয়ার অয়েল, ক্লোজআপ, লাইফবয়, সার্ফ এক্সেল, রিয়েলমি ফোন, ভ্যাসলিন, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি, অপো মোবাইল, মার্ক্স পাউডার মিল্ক ও আকিজ ড্রিংকিং ওয়াটারসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কাজ। তবে বিজ্ঞাপনের পরিসর এখন আর শুধু টেলিভিশনকেন্দ্রিক নেই। ওভিসি, ডিজিটাল বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ড কনটেন্ট, ফটোশুট, মিউজিক ভিডিও থেকে শুরু করে বিভিন্ন অডিও-ভিজ্যুয়াল ও ওটিটি প্রজেক্টেও চরিত্র ও ট্যালেন্টের প্রয়োজন বাড়ছে। একই সঙ্গে বদলেছে শিল্পী খোঁজার মাধ্যমও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের কারণে এখন অনেক নতুন মুখ সহজেই নিজের প্রতিভা তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছেন। তাদের মধ্য থেকে একটি নির্দিষ্ট চরিত্রের জন্য উপযুক্ত শিল্পী খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে কাস্টিং ডিরেক্টরের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নির্মাতা ও নতুন ট্যালেন্টের মধ্যে এই জায়গাটিই অনেকটা সেতুর মতো কাজ করে। এ আর পিয়াস মনে করেন, প্রতিটি মানুষের মধ্যেই আলাদা কোনো না কোনো সম্ভাবনা থাকে। সেই সম্ভাবনাকে চিহ্নিত করে সঠিক চরিত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়াই একজন কাস্টিং ডিরেক্টরের বড় দায়িত্ব। ফলে তার কাজের লক্ষ্য শুধু পরিচিত শিল্পীদের নিয়ে কাজ করা নয়, চরিত্রের প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন প্রতিভাকেও সামনে নিয়ে আসা। বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে সময়ের সীমাবদ্ধতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই একটি গল্প, আবেগ কিংবা ব্র্যান্ডের বার্তা দর্শকের কাছে পৌঁছে দিতে হয়। সেই অল্প সময়ের মধ্যে চরিত্রটি যদি বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠতে পারে, তাহলে বিজ্ঞাপনের প্রভাবও অনেক বেড়ে যায়। আর সেই বিশ্বাসযোগ্যতার শুরুটা হয় সঠিক মানুষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। এ কারণেই বিজ্ঞাপনের পর্দায় একজন অভিনয়শিল্পীকে যতটা দেখা যায়, তার পেছনে থাকা কাস্টিং প্রক্রিয়াটিও ততটাই গুরুত্বপূর্ণ। এ আর পিয়াস সেই নেপথ্যের কাজটিকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়ে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। আগামী দিনে বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন ও মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিতে কাস্টিংকে আরও পেশাদার ও বিস্তৃত পরিসরে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে তার। নতুন ও অভিজ্ঞ শিল্পীদের সমন্বয়ে নির্মাতা ও ব্র্যান্ডের প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ট্যালেন্ট খুঁজে দেওয়ার কাজটিকেই আরও বড় পরিসরে এগিয়ে নিতে চান তিনি। কারণ একটি বিজ্ঞাপনের সাফল্যের গল্পে ক্যামেরার সামনে থাকা মুখগুলো যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সেই মুখগুলোকে গল্পের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়ার নেপথ্যের কারিগরও কম গুরুত্বপূর্ণ নন। সেই নেপথ্যের কারিগরদের একজন হিসেবেই নিজের জায়গা তৈরি করছেন কাস্টিং ডিরেক্টর এ আর পিয়াস

©2020 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102