–
—তরুণ বিশ্বাস,কলকাতা—
উৎসবের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া এবং সমাজের প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকারকে সামনে রেখে শারদোৎসবের প্রাক্কালে মানবিক উদ্যোগ নিল মধ্যমগ্রামের গুরুবন্দন যোগা অ্যান্ড আকুপ্রেসার ইনস্টিটিউট রেজিস্টার্ড ট্রাস্ট। সংস্থার উদ্যোগে মধ্যমগ্রাম স্টেশন রোডের রবীন্দ্র মুক্তমঞ্চে ২০০ জন প্রান্তিক মহিলার হাতে প্রীতি বস্ত্র হিসেবে শাড়ি তুলে দেওয়া হয়। এই উদ্যোগে উৎসবের আবহে খুশির ছোঁয়া লাগে উপহার প্রাপকদের মুখে। পুজো মানেই নতুন পোশাক,আনন্দ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে উৎসবের মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়া। কিন্তু সমাজের বহু প্রান্তিক মানুষের কাছে সেই আনন্দ অধরাই থেকে যায়। তাঁদের মুখে হাসি ফোটাতেই গুরুবন্দন পরিবারের এই উদ্যোগ। শুধু যোগচর্চা ও আকুপ্রেসারের মধ্যেই নিজেদের কাজ সীমাবদ্ধ না রেখে সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনের বার্তাও দিল এই সংস্থা। ট্রাস্টের সভাপতি ডালিয়া ভৌমিক ঘোষ জানান,পুজোর আনন্দ সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার লক্ষ্যেই গুরুবন্দন পরিবারের সদস্যরা এই মহতী কর্মযজ্ঞে শামিল হয়েছেন। সমাজের পিছিয়ে পড়া মহিলাদের হাতে নতুন বস্ত্র তুলে দিতে পেরে তাঁরা আনন্দিত ও গর্বিত। আগামী দিনেও মানুষের পাশে থেকে সমাজকল্যাণমূলক কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার রয়েছে তাঁদের। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ট্রাস্টের এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁদের মতে, উৎসবের প্রকৃত সার্থকতা তখনই, যখন তার আনন্দ সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। আগামী দিনেও এই ধরনের জনকল্যাণ মূলক কাজে গুরুবন্দন ট্রাস্টের পাশে থাকার আশ্বাস দেন অতিথিরা। উৎসবের প্রাক্কালে ২০০ জন মহিলার হাতে প্রীতি বস্ত্র তুলে দেওয়ার এই উদ্যোগ আরও একবার মনে করিয়ে দিল, মানুষের জন্য মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে উৎসবের প্রকৃত আনন্দ ও মানবিকতার সার্থকতা।