
প্রথম ডেক্স
সিভিক স্পেস সুরক্ষা, তথ্য নিরাপত্তা, মানবাধিকার এবং দায়িত্বশীল ডিজিটাল ও স্মার্ট ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং নাগরিক সমাজের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্রাইট বাংলাদেশ ফোরাম এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিস (CP&J)-এর যৌথ উদ্যোগে SUSHIL (Supporting the Unity and Sustainability of Civil Society Organizations to Uphold Human Rights, National Integrity and Rule of Law in Bangladesh) প্রকল্পের আওতায় ” Training workshop on Civic Space, Data Protection & Digital Security” শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালা মঙ্গলবার (৩০ জুন) চট্টগ্রামের কাজীর দেউড়িস্থ ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ব্রাইট বাংলাদেশ ফোরামের প্রধান নির্বাহী উৎপল বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালাটি পরিচালনা করেন সংগঠনটির ম্যানেজার রিদুয়ানুল হাকীম রিয়াদ। সমন্বয় করেন ব্রাইট বাংলাদেশ ফোরামের প্রোগ্রাম অফিসার বিষু চক্রবর্তী।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মরিয়ম নেসা, লিড, উইমেন রাইটস অ্যান্ড জেন্ডার ইকুইটি, একশনইড বাংলাদেশ এছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌসুমি বিশ্বাস, প্রজেক্ট ম্যানেজার, সুশীল প্রকল্প, একশনইড বাংলাদেশ, নীলুফা সুলতানা শেতা, অপারেশনস ম্যানেজার, সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিস (CP&J), ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি এবং লিটন দত্ত, ম্যানেজার, ফাইন্যান্স অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিস (CP&J), ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি।
কর্মশালার রিসোর্স পারসন ছিলেন ড. মোতাহার আখন্দ, চেয়ারপার্সন, রাইটস সেন্টার ট্রাস্ট এবং ভিজিটিং ফেলো, সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিস (CP&J), ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি। তিনি সিভিক স্পেস, নাগরিক অধিকার, তথ্য সুরক্ষা, সাইবার নিরাপত্তা, দায়িত্বশীল তথ্য ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল সাক্ষরতা এবং মানবাধিকারভিত্তিক প্রশাসনিক চর্চা বিষয়ে বিভিন্ন কারিগরি অধিবেশন পরিচালনা করেন।
কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন; চট্টগ্রাম মহানগর জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. মোস্তাফিজুর রহমান; চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের ইনচার্জ ডা. নুরুল মোমেন; মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, চট্টগ্রামের উপপরিচালক আতিয়া চৌধুরী; চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (ASP) মো. নুরুল ইসলাম; ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার, চট্টগ্রামের ইনচার্জ সুপ্তা দত্ত; বিএমইটির সহকারী পরিচালক মহেন্দ্র চাকমা; পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বেগম শাহান ওয়াজ; মেট্রোপলিটন কৃষি কর্মকর্তা রোজিনা আক্তার; বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিভাগীয় কর্মকর্তা (প্রশাসন) মোহাম্মদ আনিসুর রহমান; এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাকাওয়াত হোসেন; উইমেন্স টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারের অধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার আশরিফা তানজিম; জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ চন্দ্র দাস; মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ; পরিবেশ অধিদপ্তরের রোমানা আক্তার; যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবুল বাশার; বিটাকের নির্বাহী প্রকৌশলী ফারহানা আক্তার; সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জসিম উদ্দিন; চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের রাসেল মাহমুদ এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদ।
বক্তারা বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে তথ্য সুরক্ষা, সাইবার নিরাপত্তা এবং নাগরিকের ডিজিটাল অধিকার নিশ্চিত করা এখন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। এ ক্ষেত্রে সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং নাগরিক সমাজের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি।
দিনব্যাপী কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা সিভিক স্পেসের সুরক্ষা, নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিতকরণ, দায়িত্বশীল তথ্য ব্যবস্থাপনা, সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলা এবং মানবাধিকারভিত্তিক সুশাসন প্রতিষ্ঠায় করণীয় বিষয়ে মতবিনিময় করেন। পাশাপাশি কেস স্টাডি, দলীয় আলোচনা এবং অংশগ্রহণমূলক অনুশীলনের মাধ্যমে বাস্তব অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হয়।
আয়োজকরা জানান, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজের মধ্যে কার্যকর অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার মাধ্যমে একটি নিরাপদ, জবাবদিহিমূলক ও মানবাধিকারসম্মত ডিজিটাল পরিবেশ প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।