
মো আবদুল করিম সোহাগ –ঢাকা
ঈদে প্রচারের লক্ষ্যে নাজনীন হাসান খান নির্মাণ করলেন ‘প্রণয়ের অমল কাব্য’। নাটকটি রচনা করেছেন অর্পনা রানী রাজবংশী। গল্পের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন- শিবলী নোমান, সুমাইয়া অর্পা, মাসুদ মহিউদ্দিন, সাইকা আহমেদ, ফরিদ হোসাইন, কাঁকন চৌধুরী, ক্লিন্টন রোজারিও প্রমুখ।
নাজনীন হাসান খান বলেন- ‘মানুষ যা চায় ভুল করে চায়, যা পায় তা চায় না; ঠিক তেমনি নাটকের দীপিকার ক্ষেত্রেও তাই ঘটে। মানুষের কাছ থেকে এতো কিছু হাতিয়ে নেওয়ার পরও তার চাওয়ার যেন শেষ নেই। তার এই লোভই একদিন তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়।
অর্পনা রানী রাজবংশী বলেন- মানুষ পৃথিবীতে একমাত্র প্রাণী যার চাওয়া-পাওয়ার কোনো শেষ নেই। গল্পের প্রত্যেকটি চরিত্র ভয়ঙ্কর লোভি। তারা মনে করে টাকাই পৃথিবীতে সবকিছু। সত্যিকার অর্থে মানুষ মৃত্যুর সময় সঙ্গে কি নিয়ে যেতে পারবে?
গল্পে দেখা যায়- পৃথিবীতে কোনো মানুষ খারাপ হয়ে জন্ম গ্রহন করে না। সমাজ সংসার অভাব অনটনের কারণে বাধ্য হয়ে মানুষ বেছে নেয়ে খারাপ পথ। তেমনি তিন বন্ধু আবির, রতন, রিপন জীবিকার প্রয়োজনে গ্রাম ছেড়ে ঢাকায় আসে। কিন্তু কোনো কাজ না পেয়ে অবশেষে বাটপারিকে পেশা হিসেবে বেছে নেয়। তারপর ঘটতে থাকে মজার সব ঘটনা। ঘটনার প্রবাহে তাদের সাথে পরিচয় ঘটে দীপিকা নামের এক অপরূপ সুন্দরী মেয়ের সাথে। তিন বন্ধু একে অন্যকে না জানিয়ে মোবাইলে দীপিকার সাথে কথা বলে। সেই সুবাদে তিন জনের সাথেই দীপিকার অন্তরঙ্গ সম্পর্ক গড়ে উঠ, মানে প্রেম। দীপিকার ভিন্ন আরেক শিকার এলাকার নামকরা মাস্তান মাহফুজ। দীপিকা বুঝতে পারে তিন বন্ধু একে অন্যের প্রেম কাহিনী জানবে এবং তাদের মধ্যে ভাঙ্গনের সৃষ্টি হবে, কেউ কাউকে বিশ্বাস করবে না। তাই তিন বন্ধু তাদের ভাগের টাকা পয়সা আলাদা জায়গায় রাখার প্রয়োজন মনে করেবে। নিরাপদ স্থান হিসাবে তিন জনই বেছে নিবে দীপিকাকে। অবশেষে দীপিকা তিন বন্ধুকে একই দিনে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। এরপর গল্প ভিন্নরূপ নেয়!