বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ওয়েস্ট বেঙ্গল বেকার্স অ্যাসোসিয়েশনের ২৬ তম রাজ্য সম্মেলন সম্পন্ন পরিকল্পিত, সমন্বিত, টেকসই ও আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ যাত্রা সিলেটে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীমের মতবিনিময় সভা সিলেটে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীমের মতবিনিময় সভা সিলেটে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীমের মতবিনিময় সভা রবীন্দ্র ভবনে রুরাল মেডিকেল ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের বর্ষপূর্তি উদযাপন র‍্যাম্প থেকে পর্দায়, নিজের মতোই সাবরিনা সাবরিন বরমা ত্রাহি মেনকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী-অভিভাবক সমাবেশ সম্পন্ন বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চন্দনাইশে প্রস্তুতি সভা সিলেট মহানগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা মন্ত্রীর

ঈদুল আজহায় নাজনীন হাসান খান’র ‘প্রণয়ের অমল কাব্য

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
  • ১১২ বার পড়া হয়েছে

মো আবদুল করিম সোহাগ –ঢাকা

‎ঈদে প্রচারের লক্ষ্যে নাজনীন হাসান খান নির্মাণ করলেন ‘প্রণয়ের অমল কাব্য’। নাটকটি রচনা করেছেন অর্পনা রানী রাজবংশী। গল্পের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন- শিবলী নোমান, সুমাইয়া অর্পা, মাসুদ মহিউদ্দিন, সাইকা আহমেদ, ফরিদ হোসাইন, কাঁকন চৌধুরী, ক্লিন্টন রোজারিও প্রমুখ।

‎নাজনীন হাসান খান বলেন- ‘মানুষ যা চায় ভুল করে চায়, যা পায় তা চায় না;  ঠিক তেমনি নাটকের দীপিকার ক্ষেত্রেও তাই ঘটে। মানুষের কাছ থেকে এতো কিছু হাতিয়ে নেওয়ার পরও তার চাওয়ার যেন শেষ নেই। তার এই লোভই একদিন তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়।

‎অর্পনা রানী রাজবংশী বলেন- মানুষ পৃথিবীতে একমাত্র প্রাণী যার চাওয়া-পাওয়ার কোনো শেষ নেই। গল্পের প্রত্যেকটি চরিত্র ভয়ঙ্কর লোভি। তারা মনে করে টাকাই পৃথিবীতে সবকিছু। সত্যিকার অর্থে মানুষ মৃত্যুর সময় সঙ্গে কি নিয়ে যেতে পারবে?

‎গল্পে দেখা যায়- পৃথিবীতে কোনো মানুষ খারাপ হয়ে জন্ম গ্রহন করে না। সমাজ সংসার অভাব অনটনের কারণে বাধ্য হয়ে মানুষ বেছে নেয়ে খারাপ পথ। তেমনি তিন বন্ধু আবির, রতন, রিপন জীবিকার প্রয়োজনে গ্রাম ছেড়ে ঢাকায় আসে। কিন্তু কোনো কাজ না পেয়ে অবশেষে বাটপারিকে পেশা হিসেবে বেছে নেয়। তারপর ঘটতে থাকে মজার সব ঘটনা। ঘটনার প্রবাহে তাদের সাথে পরিচয় ঘটে দীপিকা নামের এক অপরূপ সুন্দরী মেয়ের সাথে। তিন বন্ধু একে অন্যকে না জানিয়ে মোবাইলে দীপিকার সাথে কথা বলে। সেই সুবাদে তিন জনের সাথেই দীপিকার অন্তরঙ্গ সম্পর্ক গড়ে উঠ, মানে প্রেম। দীপিকার ভিন্ন আরেক শিকার এলাকার নামকরা মাস্তান মাহফুজ। দীপিকা বুঝতে পারে তিন বন্ধু একে অন্যের প্রেম কাহিনী জানবে এবং তাদের মধ্যে ভাঙ্গনের সৃষ্টি হবে, কেউ কাউকে বিশ্বাস করবে না। তাই তিন বন্ধু তাদের ভাগের টাকা পয়সা আলাদা জায়গায় রাখার প্রয়োজন মনে করেবে। নিরাপদ স্থান হিসাবে তিন জনই বেছে নিবে দীপিকাকে। অবশেষে দীপিকা তিন বন্ধুকে একই দিনে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। এরপর গল্প ভিন্নরূপ নেয়!

এ বিভাগের আরো সংবাদ

সাফল্যের আলোয় নেপথ্যে এ আর পিয়াস মো আবদুল করিম সোহাগ একটি বিজ্ঞাপনে কয়েক সেকেন্ডের উপস্থিতিই কখনো একটি চরিত্রকে দর্শকের মনে গেঁথে দিতে পারে। কারও চোখের অভিব্যক্তি, কারও কথার ধরন কিংবা পর্দায় উপস্থিতির স্বাভাবিকতাই বদলে দিতে পারে পুরো বিজ্ঞাপনের আবহ। কিন্তু সেই চরিত্রের জন্য ঠিক মানুষটিকে খুঁজে বের করার কাজটি শুরু হয় ক্যামেরা চালুর অনেক আগেই। সেই নেপথ্যের কাজটিই করেন একজন কাস্টিং ডিরেক্টর। আর বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে এই দায়িত্ব পালন করে আসছেন এ আর পিয়াস। টেলিভিশন বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে ফটোশুট, ডিজিটাল কনটেন্ট ও বিভিন্ন অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রজেক্টে উপযুক্ত শিল্পী নির্বাচনের মাধ্যমে নির্মাতা, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ডের ভাবনাকে পর্দায় বাস্তব রূপ দিতে কাজ করছেন তিনি। একটি চরিত্রের জন্য কাকে নেওয়া হবে, সেটি শুধুই চেহারা দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয় নয়। চরিত্রটির বয়স, ব্যক্তিত্ব, শারীরিক উপস্থিতি, অভিব্যক্তি, অভিনয়ের দক্ষতা, কথাবলার ধরন থেকে শুরু করে গল্পের সঙ্গে তার স্বাভাবিক সামঞ্জস্য, সবকিছুই বিবেচনায় রাখতে হয়। কখনো পরিচিত একজন অভিনয়শিল্পীর বদলে একেবারে নতুন কাউকে বেছে নেওয়াই হয়ে উঠতে পারে সঠিক সিদ্ধান্ত। এ আর পিয়াসের কাজের দর্শনও অনেকটা সেখানেই। তার কাছে কাস্টিং মানে পরিচিত মুখের তালিকা থেকে একজনকে বেছে নেওয়া নয়। বরং গল্পের প্রয়োজন বুঝে এমন একজনকে খুঁজে বের করা, যাকে চরিত্রটির মধ্যে স্বাভাবিকভাবে দেখা যায়। কারণ তার মতে, অভিনয়শিল্পী ও চরিত্রের মধ্যে মিল তৈরি না হলে ভালো গল্প কিংবা বড় বাজেটের নির্মাণও দর্শকের কাছে প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারে না। কাজটি তাই শুরু হয় স্ক্রিপ্ট পড়া কিংবা নির্মাতার ব্রিফ বোঝার মধ্য দিয়ে। চরিত্রটির প্রয়োজন কী, তাকে পর্দায় কেমন দেখাতে হবে, তার বয়স বা ব্যক্তিত্ব কেমন হওয়া উচিত, অভিনয়ের ক্ষেত্রে কী ধরনের সক্ষমতা প্রয়োজন, এসব বিষয় বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য শিল্পীদের খুঁজে বের করেন কাস্টিং ডিরেক্টর। এরপর অডিশন, স্ক্রিন টেস্ট কিংবা অন্যান্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের যাচাই করে নির্মাতা ও সংশ্লিষ্ট টিমের সামনে উপযুক্ত প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। বিজ্ঞাপনের জগতে এ আর পিয়াসের কাজের পরিধিও বেশ বিস্তৃত। সাম্প্রতিক সময়ে তার কাস্টিং করা উল্লেখযোগ্য টেলিভিশন বিজ্ঞাপনের মধ্যে রয়েছে গ্রামীণফোন, সেভয় আইসক্রিম, সখী স্যানিটারি ন্যাপকিন, ওয়ালটন রেফ্রিজারেটর, বিকাশ, ইনফিনিক্স মোবাইল, কুমারিকা হেয়ার অয়েল, ক্লোজআপ, লাইফবয়, সার্ফ এক্সেল, রিয়েলমি ফোন, ভ্যাসলিন, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি, অপো মোবাইল, মার্ক্স পাউডার মিল্ক ও আকিজ ড্রিংকিং ওয়াটারসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কাজ। তবে বিজ্ঞাপনের পরিসর এখন আর শুধু টেলিভিশনকেন্দ্রিক নেই। ওভিসি, ডিজিটাল বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ড কনটেন্ট, ফটোশুট, মিউজিক ভিডিও থেকে শুরু করে বিভিন্ন অডিও-ভিজ্যুয়াল ও ওটিটি প্রজেক্টেও চরিত্র ও ট্যালেন্টের প্রয়োজন বাড়ছে। একই সঙ্গে বদলেছে শিল্পী খোঁজার মাধ্যমও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের কারণে এখন অনেক নতুন মুখ সহজেই নিজের প্রতিভা তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছেন। তাদের মধ্য থেকে একটি নির্দিষ্ট চরিত্রের জন্য উপযুক্ত শিল্পী খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে কাস্টিং ডিরেক্টরের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নির্মাতা ও নতুন ট্যালেন্টের মধ্যে এই জায়গাটিই অনেকটা সেতুর মতো কাজ করে। এ আর পিয়াস মনে করেন, প্রতিটি মানুষের মধ্যেই আলাদা কোনো না কোনো সম্ভাবনা থাকে। সেই সম্ভাবনাকে চিহ্নিত করে সঠিক চরিত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়াই একজন কাস্টিং ডিরেক্টরের বড় দায়িত্ব। ফলে তার কাজের লক্ষ্য শুধু পরিচিত শিল্পীদের নিয়ে কাজ করা নয়, চরিত্রের প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন প্রতিভাকেও সামনে নিয়ে আসা। বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে সময়ের সীমাবদ্ধতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই একটি গল্প, আবেগ কিংবা ব্র্যান্ডের বার্তা দর্শকের কাছে পৌঁছে দিতে হয়। সেই অল্প সময়ের মধ্যে চরিত্রটি যদি বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠতে পারে, তাহলে বিজ্ঞাপনের প্রভাবও অনেক বেড়ে যায়। আর সেই বিশ্বাসযোগ্যতার শুরুটা হয় সঠিক মানুষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। এ কারণেই বিজ্ঞাপনের পর্দায় একজন অভিনয়শিল্পীকে যতটা দেখা যায়, তার পেছনে থাকা কাস্টিং প্রক্রিয়াটিও ততটাই গুরুত্বপূর্ণ। এ আর পিয়াস সেই নেপথ্যের কাজটিকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়ে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। আগামী দিনে বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন ও মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিতে কাস্টিংকে আরও পেশাদার ও বিস্তৃত পরিসরে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে তার। নতুন ও অভিজ্ঞ শিল্পীদের সমন্বয়ে নির্মাতা ও ব্র্যান্ডের প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ট্যালেন্ট খুঁজে দেওয়ার কাজটিকেই আরও বড় পরিসরে এগিয়ে নিতে চান তিনি। কারণ একটি বিজ্ঞাপনের সাফল্যের গল্পে ক্যামেরার সামনে থাকা মুখগুলো যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সেই মুখগুলোকে গল্পের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়ার নেপথ্যের কারিগরও কম গুরুত্বপূর্ণ নন। সেই নেপথ্যের কারিগরদের একজন হিসেবেই নিজের জায়গা তৈরি করছেন কাস্টিং ডিরেক্টর এ আর পিয়াস

©2020 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102