
আনোয়ারা ( চট্টগ্রাম ) প্রতিনিধি
পেশায় ছিলেন তিনি হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার। দুই পুত্রকে লেখাপড়া শিখিয়ে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করেছিলেন সেই ডাক্তার পিতা। কিন্তু সেই উচ্চ শিক্ষিত দুই পুত্র এখন দায়িত্ব নিচ্ছে না অসুস্থ এই পিতার।
ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের মালঘর বাজার নিবাসী হোমিওপ্যাথি ডা: শ্রীপতি রঞ্জন পাল এর সাথে। তার দুই সন্তান। বড় ছেলের নাম সজীব পাল। থাকেন কক্সবাজার। সেখানে তিনি একটি স্বনামধন্য হোটেলে উচ্চ পদে কর্মরত।
ছোট ছেলের নাম সুচয়ন পাল। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রে কর্মরত আছেন। কিন্তু এই দুই সন্তান তাদের হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার বাবাকে এই বৃদ্ধ বয়সে দেখাশোনা কিংবা যত্ন নেওয়াতো দুরের কথা, তাদের পিতার কোন খোঁজও নিচ্ছে না। দুই ছেলে যখন পিতার কোন দায়িত্ব নিলো না তখন তদের পিতা হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার শ্রীপতি রন্জন পাল এখন অসহায় অবস্থায় দিন পার করছেন অন্যের দয়ায়। উনি বর্তমানে পরিবার পরিজন ছাড়া। তার দুই সন্তান যখন পিতাকে দেখাশুনা করছেনা তখন তিনি চট্টগ্রামের একটি আবাসিক হোটেলে লজিং থাকতেন। বর্তমানে তিনি অসুস্হ হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই অসুস্থ পিতাটি যখন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে একটু সুস্থ হচ্ছেন এবং হাসপাতাল থেকে দুই একদিনের মধ্যেই তাকে রিলিজ করে দেওয়া হবে তখন হাসপাতাল থেকে তার দুই সন্তানের সাথে যোগাযোগ করলে তার পরিবার তাকে হাসপাতাল হতে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে কোন সাড়া দেইনি।
বর্তামনে তিনি প্রিন্স পাল সুমন নামের একজন ব্যাক্তির তত্ত্বাবধানে আছেন।আগামীকাল তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে রিলিজ করে দেওয়া হবে। রিলিজ করার পর তিনি কোথায় যাবেন বা কোথায় থাকবেন এটা এখনো নিশ্চিত নয়।
যেহেতু তার দুই সন্তান তাদের পিতাকে গ্রহণ করার ব্যাপারে কোন সাড়া দিচ্ছে না তাই কিছু মানবিক মানুষ এই বৃদ্ধ হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারকে
পটিয়ার ধলঘাট দক্ষিণ সমুরা বৃদ্ধাশ্রমে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যদি তার পরিবারের কেউ এই বৃদ্ধকে তাদের পরিবারে নিয়ে যেতে চাই সেই ক্ষেত্রে প্রিন্স পাল সুমনের সাথে তার মুঠোফোনে ( <span;>০১৮১৭-২০৫৯৯৫<span;> ) যোগাযোগ করতে পারবেন।