
অরুন নাথ,পটিয়া(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
চট্টগ্রাম-১২(পটিয়া) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য এমপি আলহাজ্ব এনাম হক এনাম বলেছেন,সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বৈষম্যহীন ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।পৃথিবীর সব ধর্মের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সমাজে মানুষের অধিকার ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে সুখী ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে হবে।তিনি বলেন, সব সম্প্রদায়ের মানুষ সম্মিলিতভাবে সম্পৃক্ত থেকে আগামীর অগ্রযাত্রাকে শক্তি এবং সাহসে পরিণত করতে হবে।সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষকে সাথে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। সবার অংশগ্রহণে প্রগতিশীল,কল্যাণময় বাংলাদেশ গড়তে মেধার বিকাশ ঘটাতে হবে।ধর্মের ভিত্তিতে নয়,জ্ঞান,মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মানুষকে মূল্যায়ন করতে হবে।দেশের নাগরিক হিসেবে দেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।কোন বিভাজন কিংবা বৈষম্যের শিকার যাতে কেউ না হয় সে ব্যাপারে সরকার সতর্ক রয়েছে।তিনি নির্ভয়ে সকল ধর্মের মানুষকে তাদের অনুষ্ঠান,উৎসব পালন এবং সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসার আহবান জানান।এছাড়া দেশ গঠনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানে ঘোষনার আলোকে পটিয়াতেও এই ধারা অঠুট থাকবে।কোন অশুব শক্তির স্হান এই পটিয়াতে হবেনা।
তিনি শুক্রবার (৪ঠা সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় পটিয়া রামকৃষ্ণ মিশন প্রাঙ্গনে উপজেলা শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ আয়োজিত পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মতিথি জন্মাষ্টমী উৎসব উপলক্ষে বর্ণাঢ্য মহাশোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
পটিয়া জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি মাষ্টার শ্যামল দে এর সভাপতিত্বে এবং উৎসব কমিটির সদস সচিব লিটু চৌধুরীর সঞ্চালনায় শ্রীমদ্ভগবদগীতা পাঠের মধ্য দিয়ে এ সভা শুরু হয়।
এতে সম্মানিত অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব খোরশেদ আলম,দক্ষিন জেলা বিএনপির সদস্য শফিকুল ইসলাম,পৌরসভা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গাজী আবু তাহের,উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহব্বায়ক মঈনুল আলম ছোটন,সদস্য ইসমাইল হোসেন,পটিয়া থানা পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) যুযুৎস যশ চাকমা,উপজেলা হিন্দু, বৌদ্ধ,খ্রীষ্টান,ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক তাপস কুমার দে,সিনিয়র সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ দিপু।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন উৎসব কমিটির আহব্বায় রাসেল চৌধুরী।
শোভাযাত্রাটি রামকৃষ্ণ মিশন প্রাঙ্গন থেকে শুরু হয়ে পৌর সদরের প্রধান সড়ক ঘুরে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন মন্দির ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ব্যানার,ফেস্টুন নিয়ে অংশ নেন। শোভাযাত্রায় বিপুল সংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণে মিলিত হয় মিলনমেলায়।