
তরুণ বিশ্বাস,কলকাতা-
রবি আর দুলু একই ক্লাসে পড়ে, ক্লাসের বাকিরা যেখানে সবার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে,এই দুই ছেলে সব সময় সবসময় পিছিয়ে পড়ে। প্রেসক্লাব কলকাতায় ২৩ মে শনিবার ২০২৬ সাংবাদিক সম্মেলনে উল্লেখ করেন,রবির বাবা একজন কৃষি শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন, তবুও তিনি পরিবারের জন্য দিনে দুবেলা পুষ্টিকর খাবারের জোগান দিতে পারেন না। দুলুর বিধবা মা অন্যের বাড়িতে কাজ করেন এবং তিনিও দুলুর পেট ঠিকমতো ভরাতে পারেন না। তাই রবি আর দুলুর মাথায় সবসময় খাবারের চিন্তাই ঘুরপাক খায়। তাদের স্কুল শিক্ষক তপন বাবু তাদের বকাঝকা করেন,কিন্তু মাঝে মাঝে খাবারও এনে দেন। তিনি বোঝেন যদি তারা দিনে দুবেলা খাবার পেতে, তাহলে তারাও পিছিয়ে পড়ত না। এদিকে তপন বাবুর মেয়ে তার গৃহ শিক্ষক সজলকে ভালোবাসে,কিন্তু তপন বাবু চান না যে তার মেয়ে সজলের মতো একজন গরীব লোকের সাথে বিয়ে করুক। তিনি দিয়াকে রেলওয়ে অফিসার কেশবের সাথে বিয়ে দিতে চান। আর কেশবের বাবা -মায়ের দাবি যেন শেষই হয় না। তপনের স্ত্রী রোমা তাকে এ ব্যাপারে বার বার সর্তক করে, কিন্তু জেদী তপন তার জমি বিক্রি করেও ধনী বরের দাবি পূরণ করতে চায়। এই দুইয়ের মাঝে পড়ে সজল ও দিয়ার হৃদয় ভেঙে যায়।