রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মানুষদের চিন্তাচেতনায় গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ আগামীর বাংলাদেশ – কর্ণফুলীতে এমপি নিজাম জামদানি দর্পণ সঙ্গীত একাডেমি মধ্যমগ্রামে সুরের আবেশে বিজয়া সম্মিলনী বারাসাত হৃদয়পুর নবসোপান সেচ্ছাসেবী সংগঠনের‌ বিজয়ার মিলন উৎসব কলকাতার রামমোহন লাইব্রেরীতে কবিতার সুরে মুগ্ধতা,আবৃত্তির ছন্দে ‘আবৃত্তিদ্বীপ’ ফেলের স্বর্গরাজ্য আনোয়ারা সরকারি কলেজ প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া নির্দেশনা বাস্তবায়নে যুবদলের নেতাকর্মীদের কাজ করতে হবে- সাংসদ নিজাম আনোয়ারায় কেএসএ স্পোর্টস এরিয়া অ্যান্ড সুইমিং পুলের উদ্বোধন সারোয়াতলী ইউপি নির্বাচনে গণসংযোগে চেয়ারম্যান পদ প্রত‍্যাশী এনামুল হক সজীব ঝিনাইদহে জামায়াতের লং মার্চের কর্মসূচি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন নির্বাচনে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী ছাড়া জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা সম্ভব নয় — শাহজাহান চৌধুরী এমপি

মে দিবসের জাগরণ

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২ মে, ২০২৬
  • ৩৬৮ বার পড়া হয়েছে

 

১৯৮৬সালের পহেলা মে শিকাগোর হে মার্কেটে মজুরের রক্তে সেদিন ভেসে গিয়েছিলো খোলা রাজপথ। যুগে, যুগে শ্রমিক মজুরেরা এখনো তাদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার তবুও তাদের কাঙ্খিত সেই স্বপ্ন আজও পূরণ হয়নি। যেমন কলকারখানা থেকে শুরু করে গার্মেন্টস শিল্প সবখানেই মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে বৈষম্য লেগেই আছে। ঠিক মতো বেতন বোনাস না পাওয়া সহ শ্রমিকের মৌলিক চাহিদার সবটুকু মেটাতে ব্যর্থ রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠান। সময়ের অতিরিক্ত কাজ করানো এবং অনেক সময় শ্রমিকের অসুখ বিসুখেও ছুটি না পাওয়ার মতো ঘটনাও আছে অনেক। তাছাড়া কৃষক জেলে তাঁতি শ্রমিক তাদের পেশাগত মর্যাদা না পাওয়া ও বৈষম্যের শিকার হওয়া।আমাদের দেশ কৃষিনির্ভর, ধান আখ সবজি সহ অনেক পণ্য উৎপাদন করে কিন্তু তারা সেই অনুযায়ী বাজারমূল্য পাননা, অনেক সময় সার সংকট ও পানি সংকট তীব্রভাবে দেখা দেয়। ফলে কৃষকের ভাগ্যের উন্নয়ন কিছুতেই হয়না। অভাব যেনো আজীবনের সঙ্গী।অনেক সময় ছেলেমেয়েদের পড়াশোনাও বন্ধ হয়ে যায়। অথচ মধ্যস্বত্তভোগীরা কৃষকের নানা উৎপাদিত পণ্য মজুদ করে নিজেরা লাভবান হয়।একসময়ের জনপ্রিয় মসলিন শাড়ি, কাতান ও তাঁত হারিয়ে যেতে বসেছে শুধু পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে।পোশাক শ্রমিকরা অনেক কারখানায় ঠিকমতো বেতন পায়না। মালিকের অসহযোগীতা,ও শ্রমিকদের সঠিক মূল্যায়ন না করাটা প্রধান কারণ। আমরা হারিয়ে ফেলেছি আদমজী, জুট মিল, পতেঙ্গা স্টীল মিল সহ অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠান আমরা হারিয়ে ফেলেছি সময়ের স্রোতে।অসুস্থ হলে কারখানা কর্তৃপক্ষ অনেক সময় শ্রমিকের ভরণপোষণের দায়িত্ব নিতে চায়না। এবং কারখানা জনিত দূর্ঘটনাতেও শ্রমিক পঙ্গু হলে মালিক চিকিৎসার ভার গ্রহণ করেননা। যুগে যুগে এভাবেই বৈষম্যের শিকার শ্রমিকরা। আমরা একজন চেগুয়েভারাকে চাই আমরা এমন এক বিপ্লবীকে চাই যে উঠে আসবে সাধারণ শ্রমিকের ভাগ্য পরিবর্তনে। সেদিন বুঝি খুব বেশি দূরে নয়।

 

 

 

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102