বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আনোয়ারায় ১২ লাখ টাকার ইয়াবাসহ আটক ১, জব্দ মোটরসাইকেল হ্যালো কলকাতা এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস’এবং সমাজ-সাংস্কৃতিক কল্যাণ উৎসব ফটিকছড়িতে হাসপাতাল সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ ‘এক নম্বর ইটের বরাদ্দ, কাজে দুই নম্বর’ হিলিতে নানা আয়োজনে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত রাষ্ট্রপতির সিলেট সফরকে সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে মন্ত্রী আরিফুলের বৈঠক ঐতিহ্যের টানে ইছামতি মাতৃমন্দিরে বিনয়বাঁশী শিল্পীগোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দ পশ্চিম আবুরখীল জাগৃতি পরিষদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও সদ্ধর্মদেশনা সম্পন্ন পারকিতে খাস জমি দখল করে স্থাপনা, সরিয়ে নিতে  প্রশাসনের নির্দেশ চন্দনাইশে রাহমাতুল্লিল আলামিন কনফারেন্সের প্রস্তুতি পরিদর্শনে বিএনপি নেতা এম এ হাশেম রাজু আনোয়ারায় মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক যুবক, অর্থ ও কারাদণ্ড

“নিরাপদ নগর গড়ি, সবাই মিলে হাতে হাত, সচেতনতার আলোয় জাগুক আমাদের প্রতিটি প্রভাত।”

উৎপল বড়ুয়া
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১১৬ বার পড়া হয়েছে

উৎফল বড়ুয়া, ব্যুরো প্রধান, সিলেট

সিলেট মহানগরীর আবাসিক এলাকাসমূহে নিরাপত্তা জোরদার ও অপরাধ প্রতিরোধে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত।

রবিবার ১৯ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬:৩০ ঘটিকায় সিলেট মহানগরীর আবাসিক এলাকাসমূহে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে মহানগরীর বিভিন্ন আবাসিক এলাকার নেতৃবৃন্দের সাথে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম, মহোদয়। তিনি উপস্থিত সকলকে শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে সভার কার্যক্রম শুরু করেন।

সভায় পুলিশ কমিশনার বলেন, মহানগরীর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুলিশ ও জনগণ একযোগে কাজ করলেই অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে এবং সিলেট মহানগরী একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য শহরে পরিণত হবে।

এ সময় তিনি আবাসিক এলাকার নেতৃবৃন্দের মতামত মনোযোগ সহকারে শ্রবণ করেন এবং তাদের গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ গ্রহণ করেন। এরপর তিনি মহানগরীর আবাসিক এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতৃবৃন্দের প্রতি উক্ত প্রস্তাবনা গুলো বাস্তবায়নের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ ব্যক্ত করেন:

১। প্রত্যেক আবাসিক এলাকায় সর্বোচ্চ ১-২টি নিয়ন্ত্রিত প্রবেশ ও বাহির গেইট রাখতে হবে এবং অতিরিক্ত পথসমূহ সীমিত করতে হবে।

২। প্রবেশ ও বাহির নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত সংখ্যক প্রশিক্ষিত সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

৩। প্রবেশপথে ব্যারিকেড/বাঁশকল স্থাপন করতে হবে।

৪। রাত ১১:০০ ঘটিকার পর বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে; যথাযথ পরিচয় নিশ্চিত সাপেক্ষে প্রবেশের অনুমতি প্রদান করা যাবে।

৫। আবাসিক এলাকায় বসবাসকারীদের যানবাহনের জন্য পরিচয়পত্র/স্টিকার ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

৬। বাউন্ডারি ওয়াল থাকা সত্ত্বেও যেখানে কাঁটাতারের ফেন্সিং নেই, সেখানে বার্বড ওয়্যার স্থাপন করতে হবে।

৭। ডেভেলপার কর্তৃক নির্মিত ভবনসমূহে পর্যাপ্ত কভারেজ নিশ্চিত করে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে।

৮। সকল বাসিন্দার তথ্য সিআইএমএস-এ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং ভাড়াটিয়া পরিবর্তনের তথ্য সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করতে হবে।

৯। জরুরি সহায়তা প্রাপ্তি ও নিরাপত্তা সেবার জন্য “জিনিয়া” অ্যাপ ব্যবহারে উৎসাহিত করতে হবে।

১০। সন্দেহজনক ব্যক্তি বা যানবাহনের গতিবিধি “জিনিয়া” অ্যাপের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক রিপোর্ট করতে হবে।

১১। বখাটেদের অবস্থান বা কিশোর গ্যাং সংক্রান্ত তথ্য দ্রুত “জিনিয়া” অ্যাপের মাধ্যমে জানাতে হবে এবং এ বিষয়ে সিকিউরিটি গার্ডদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

১২। প্রয়োজনে আবাসিক এলাকায় কুকুর পালনসহ সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে।

১৩। অন্ধকারাচ্ছন্ন এলাকায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

১৪। সিকিউরিটি গার্ডদের নির্ধারিত সময়ে ডিউটিরত অবস্থায় লাঠি ও বাঁশি বহন করতে হবে।

১৫। যেকোন প্রয়োজনে এসএমপি কন্ট্রোলরুম-০১৩২০-০৬৯৯৯৮ এবং কল সেন্টার- ০১৩৩৯৯১১৭৪২ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।

পুলিশ কমিশনার আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, উপরোক্ত কার্যক্রমসমূহ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা হলে সিলেট মহানগরীতে একটি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল নগর জীবন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সবশেষে তিনি উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102