
—তরুণ বিশ্বাস,কলকাতা—
ইতিহাসের খাতায় স্বর্ণক্ষরে লেখা কলকাতার ভবানীপুর ভোলাগিরি আশ্রম, আধ্যাত্মিক সাধনা ও সনাতন ধর্মচর্চার বার্তা এবং আগামী দিনের অন্ধকার কাটিয়ে আলোর পথে চলতে দীক্ষা প্রদান অনুষ্ঠানের মাহেন্দ্র ক্ষণে পরম পূজনীয় গুরুদেব হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ১০০৮ মহামণ্ডলেশ্বর শ্রীমৎ স্বামী তেজসানন্দ গিরি মহারাজ।শারদোৎসবের আবহে কলকাতার ভবানী পুরের ঐতিহ্যবাহী শ্রীশ্রী ভোলাগিরি আশ্রমে ১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ২০২৬ অনুষ্ঠিত হল এক বিশেষ দীক্ষা প্রদান অনুষ্ঠান। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আধ্যাত্মিক পরিবেশের মধ্য দিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দীক্ষাগ্রহণকারী ভক্তদের আধ্যাত্মিক সাধনার পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ধর্মীয় নির্দেশ ও আশীর্বাদ প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে আশ্রমের সঙ্গে যুক্ত বাংলা তথা ভারতের বিশিষ্ট সন্ন্যাসী ১০০৮ মহামণ্ডলেশ্বর তেজসানন্দ গিরি মহারাজ উপস্থিত ছিলেন। তিনি সর্বভারতীয় পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় সংগঠনের সভাপতি এবং শ্রীশ্রী ভোলানন্দ সন্ন্যাস আশ্রম,হরি দ্বারের সঙ্গে যুক্ত। বর্তমানে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা শ্রীশ্রী ভোলানন্দ সন্ন্যাস আশ্রম এর সর্বোচ্চ পদ অধ্যক্ষ হিসেবে তেজসানন্দ গিরি মহারাজ এর নাম পাওয়া যায়। এই দিন অনেক সনাতন ধর্মপ্রেমী মানুষ দেরকে নিজের সন্তান সমতুল্য ভাবে শিষ্য ও শিষ্যা রূপে বরণ করে নেন, ও আন্তরিক আশীর্বাদ প্রদান করেন।