
মোহাম্মদ ওমর ফারুক চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বন্যাদুর্গত এলাকায় জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বোয়ালখালী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দরবার-এ গাউছে হাওলা, হযরত শিবলী মঞ্জিলের ‘হাওলাপুরী রেসকিউ টিম’। গত ১৭ জুলাই ২০২৬, রোজ শুক্রবার চন্দনাইশ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সাতবাড়ীয়া হাফেজ নগর দরবার শরীফের সামাজিক সংগঠন ‘আশেকানে হাফেজনগরী মাইজভান্ডারী যুব কমিটি’র সদস্যদের সাথে নিয়ে চন্দনাইশ উপজেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০টি পরিবারের মাঝে উপহার ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এদিন জুম্মা পরবর্তী সময়ে বন্যা কবলিত এলাকায় ঘুরে ঘুরে ক্ষতিগ্রস্ত ও পানিবন্দী মানুষের হাতে এই উপহার সামগ্রী তুলে দেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও স্বেচ্ছাসেবকরা। এ সময় ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন, পীরজাদা সৈয়দ নঈমুল কুদ্দুস আকবরী (পীর-গদিনশীন), পীরজাদা সৈয়দ মুনিরুল কুদ্দুস আকবরী, মোহাম্মদ মোছাদ্দেক আহমেদ খান, মুফতি মাওলানা সৈয়দ আশেকুর রহমান হাফেজ নগরী, সৈয়দ মাশরুর আহমেদ খান
সৈয়দ ইয়াসিন চৌধুরী, সৈয়দ মুসলিম চৌধুরী
জামাল উদ্দিন প্রমুখ। এছাড়া উপহার সামগ্রী সুশৃঙ্খলভাবে বিতরণের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন হাওলাপুরী রেসকিউ টিম ও হাওলাপুরী স্বেচ্ছাসেবক বৃন্দ, আশেকানে হাফেজনগরী মাইজভান্ডারী যুব কমিটির সদস্যরা এবং যুব রেড ক্রিসেন্ট, চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের একঝাঁক তরুণ ও নিবেদিতপ্রাণ কর্মী। উপহার সামগ্রী বিতরণকালে বক্তারা বলেন, বিপদের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই ইসলামের মূল শিক্ষা। কোনো ধর্মীয় বৈষম্য না রেখে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে এই উপহার পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বন্যার এই কঠিন পরিস্থিতিতে সরকারের পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের সামর্থ্যবান ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে দুর্গত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা। হঠাৎ বন্যায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়া অসহায় মানুষগুলো এই উপহার সামগ্রী পেয়ে দরবার শরীফ ও সংশ্লিষ্ট সকল সংগঠনের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।