বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উদ্যোগে মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত শিক্ষা পদক প্রদান অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক: পরিবেশ বিপর্যয় রোধে বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে একদিন জলদস্যুদেরও ডাঙায় ফিরে আসতে হবে- আনোয়ারায় পুলিশ সুপার মাসুদ আলম ফটিকছড়িতে আগামীকাল সকাল সন্ধ্যা হরতাল বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করলো আইপিএসপিজে বাংলাদেশ ( IPSPJ BANGLADESH ) মাদকনির্মূলে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ব্যতিক্রমী উদ্যোগে মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ অব্যাহত সিসিকের উদ্যোগে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ: হতদরিদ্র শিক্ষার্থীদের পাশে সিটিকর্পোরেশন মডেল থেকে অভিনেত্রী হওয়ার পথে হাবিবার যাত্রা আনোয়ারায় ডেইরি খামারে ডাকাতি: ডাকাত দলের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার গাছবাড়ীয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

সিলেটে স্থাপিত হচ্ছে দেশের প্রথম বায়োড্রায়িং প্ল্যান্ট: বর্জ্য হবে জ্বালানি

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে

 

উৎফল বড়ুয়া, ব্যুরো প্রধান, সিলেট

সিলেট সিটি কর্পোরেশনে (সিসিক) আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে দেশের প্রথম ‘বায়োড্রায়িং প্ল্যান্ট’ স্থাপন করা হচ্ছে। উন্নত প্রযুক্তির এই প্ল্যান্টটি বাস্তবায়িত হলে নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তনের পাশাপাশি বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

​মঙ্গলবার ২৪ জুন বিকেলে নগরভবন সভাকক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এই প্রকল্পের অগ্রগতি ও কর্মপদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

​সভায় সভাপতির বক্তব্যে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিকায়ন এবং পরিবেশবান্ধব করে তুলতে আমরা এই বায়োড্রায়িং প্ল্যান্ট স্থাপন করতে চাই। এটি বর্জ্যকে জ্বালানিতে রূপান্তরের মাধ্যমে একটি বৃত্তাকার অর্থনীতি (Circular Economy) গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।”

বিশেষজ্ঞরা জানান, বায়োড্রায়িং হলো বর্জ্য ব্যবস্থাপনার একটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। সাধারণত শহরের বর্জ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ জৈব উপাদান এবং প্রচুর পানি থাকে। প্রচলিত ‘ইনসিনেরেশন’ বা বর্জ্য পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পদ্ধতিতে এই আর্দ্র বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ ব্যয়বহুল ও জটিল। বায়োড্রায়িং প্রযুক্তিতে অণুজীবের প্রাকৃতিক বিপাকীয় তাপ ও নিয়ন্ত্রিত বায়ুপ্রবাহ ব্যবহার করে গৃহস্থালি বর্জ্য, স্যুয়ারেজ স্লাজ ও কৃষিজ বর্জ্যের অতিরিক্ত আর্দ্রতা দ্রুত শুকিয়ে ফেলা হয়। ফলে বর্জ্যটি জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী হয়ে ওঠে, যা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত কার্যকর।

মতবিনিময় সভায় সিসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস এবং নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মোহাম্মদ উল্লাহ।

​এছাড়া লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ পিএলসির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন হেড অফ জিও সাইকেল লতিফুর রহমান, জেনারেল ম্যানেজার সরকার সোয়েব আহমেদ এবং বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার তামরিন চৌধুরী।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102