শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জিডোর ছায়ায় ‘সি ফাউন্ডেশন’ কথায় কথায় মিথ্যা মামলার অভিযোগে গ্রামবাসীর বিক্ষোভ আনোয়ারা ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশনের উদ্যোগে বাঁশখালীতে অসহায় পরিবারের হাতে ঘর নির্মাণের উপকরণ হস্তান্তর মাইক্রোপ্লাস্টিক: প্লাস্টিকের অদৃশ্য কণায় বিপন্ন মানবস্বাস্থ্য বাংলাদেশ ও ভারত দুটি পৃথক রাষ্ট্র হলেও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও মূল্যবোধের দিক থেকে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ:অনুরুদ্ধ দাস হায়দ্রাবাদের আজিম প্রেমজি ফাউন্ডেশনের কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলন ‌‌ ‌ আনোয়ারায় ঘাতক বাসের ধাক্কায় দুমড়ে মুচড়ে গেল ৬ সিএনজি, নিহত ২,আহত ৩০ ঘোড়াঘাটে জমির বিরোধে ভাই বোনদের মধ্যে সংঘর্ষ  দুর্ঘটনার অপেক্ষায় কর্ণফুলীর বিলবোর্ড, নিরুত্তর প্রশাসন বেওয়ারিশ লাশ দাফন করলো স্বপ্নময় মানব কল্যাণমূখী সংগঠন

মে দিবসের জাগরণ

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২ মে, ২০২৬
  • ১৪২ বার পড়া হয়েছে

 

১৯৮৬সালের পহেলা মে শিকাগোর হে মার্কেটে মজুরের রক্তে সেদিন ভেসে গিয়েছিলো খোলা রাজপথ। যুগে, যুগে শ্রমিক মজুরেরা এখনো তাদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার তবুও তাদের কাঙ্খিত সেই স্বপ্ন আজও পূরণ হয়নি। যেমন কলকারখানা থেকে শুরু করে গার্মেন্টস শিল্প সবখানেই মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে বৈষম্য লেগেই আছে। ঠিক মতো বেতন বোনাস না পাওয়া সহ শ্রমিকের মৌলিক চাহিদার সবটুকু মেটাতে ব্যর্থ রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠান। সময়ের অতিরিক্ত কাজ করানো এবং অনেক সময় শ্রমিকের অসুখ বিসুখেও ছুটি না পাওয়ার মতো ঘটনাও আছে অনেক। তাছাড়া কৃষক জেলে তাঁতি শ্রমিক তাদের পেশাগত মর্যাদা না পাওয়া ও বৈষম্যের শিকার হওয়া।আমাদের দেশ কৃষিনির্ভর, ধান আখ সবজি সহ অনেক পণ্য উৎপাদন করে কিন্তু তারা সেই অনুযায়ী বাজারমূল্য পাননা, অনেক সময় সার সংকট ও পানি সংকট তীব্রভাবে দেখা দেয়। ফলে কৃষকের ভাগ্যের উন্নয়ন কিছুতেই হয়না। অভাব যেনো আজীবনের সঙ্গী।অনেক সময় ছেলেমেয়েদের পড়াশোনাও বন্ধ হয়ে যায়। অথচ মধ্যস্বত্তভোগীরা কৃষকের নানা উৎপাদিত পণ্য মজুদ করে নিজেরা লাভবান হয়।একসময়ের জনপ্রিয় মসলিন শাড়ি, কাতান ও তাঁত হারিয়ে যেতে বসেছে শুধু পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে।পোশাক শ্রমিকরা অনেক কারখানায় ঠিকমতো বেতন পায়না। মালিকের অসহযোগীতা,ও শ্রমিকদের সঠিক মূল্যায়ন না করাটা প্রধান কারণ। আমরা হারিয়ে ফেলেছি আদমজী, জুট মিল, পতেঙ্গা স্টীল মিল সহ অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠান আমরা হারিয়ে ফেলেছি সময়ের স্রোতে।অসুস্থ হলে কারখানা কর্তৃপক্ষ অনেক সময় শ্রমিকের ভরণপোষণের দায়িত্ব নিতে চায়না। এবং কারখানা জনিত দূর্ঘটনাতেও শ্রমিক পঙ্গু হলে মালিক চিকিৎসার ভার গ্রহণ করেননা। যুগে যুগে এভাবেই বৈষম্যের শিকার শ্রমিকরা। আমরা একজন চেগুয়েভারাকে চাই আমরা এমন এক বিপ্লবীকে চাই যে উঠে আসবে সাধারণ শ্রমিকের ভাগ্য পরিবর্তনে। সেদিন বুঝি খুব বেশি দূরে নয়।

 

 

 

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102