রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৯:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঝিনাইদহে ভূমি সেবা মেলা উদযাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের প্রেস কনফারেন্স সিলেটে বিশ্ববাংলা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ কর্তৃক অনুষ্ঠিত হল রবীন্দ্র-নজরুল জন্মজয়ন্তী মাতৃদিবসে সমাজের গন্ডি ভাঙা নারীদের সম্মানে মনিপাল হাসপাতাল সিলেটে সোনালী ব্যাংকের প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন মাতৃদিবসে সমাজের গন্ডি ভাঙা নারীদের সম্মানে মনিপাল হাসপাতাল লায়ন্স জেলা গভর্নর লায়ন কামরুজ্জামান লিটনের ২০২৬-২৭ সেবাবর্ষের কমিটি ঘোষণা পূর্ব গড়িয়া বৃজি শ্রীশ্রী শিব কালী নবগ্রহ মন্দিরের বাৎসরিক উৎসব চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম- আহ্বায়ক হলেন জামশেদ জিসান প্রবাসীদের জন্য চালু হচ্ছে আধুনিক আবাসন প্রকল্প- প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী গৌরবময় ৩২ বছর রুবি জেনারেল হসপিটালে বিএমটি এর উদ্বোধন

মে দিবসের জাগরণ

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২ মে, ২০২৬
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে

 

১৯৮৬সালের পহেলা মে শিকাগোর হে মার্কেটে মজুরের রক্তে সেদিন ভেসে গিয়েছিলো খোলা রাজপথ। যুগে, যুগে শ্রমিক মজুরেরা এখনো তাদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার তবুও তাদের কাঙ্খিত সেই স্বপ্ন আজও পূরণ হয়নি। যেমন কলকারখানা থেকে শুরু করে গার্মেন্টস শিল্প সবখানেই মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে বৈষম্য লেগেই আছে। ঠিক মতো বেতন বোনাস না পাওয়া সহ শ্রমিকের মৌলিক চাহিদার সবটুকু মেটাতে ব্যর্থ রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠান। সময়ের অতিরিক্ত কাজ করানো এবং অনেক সময় শ্রমিকের অসুখ বিসুখেও ছুটি না পাওয়ার মতো ঘটনাও আছে অনেক। তাছাড়া কৃষক জেলে তাঁতি শ্রমিক তাদের পেশাগত মর্যাদা না পাওয়া ও বৈষম্যের শিকার হওয়া।আমাদের দেশ কৃষিনির্ভর, ধান আখ সবজি সহ অনেক পণ্য উৎপাদন করে কিন্তু তারা সেই অনুযায়ী বাজারমূল্য পাননা, অনেক সময় সার সংকট ও পানি সংকট তীব্রভাবে দেখা দেয়। ফলে কৃষকের ভাগ্যের উন্নয়ন কিছুতেই হয়না। অভাব যেনো আজীবনের সঙ্গী।অনেক সময় ছেলেমেয়েদের পড়াশোনাও বন্ধ হয়ে যায়। অথচ মধ্যস্বত্তভোগীরা কৃষকের নানা উৎপাদিত পণ্য মজুদ করে নিজেরা লাভবান হয়।একসময়ের জনপ্রিয় মসলিন শাড়ি, কাতান ও তাঁত হারিয়ে যেতে বসেছে শুধু পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে।পোশাক শ্রমিকরা অনেক কারখানায় ঠিকমতো বেতন পায়না। মালিকের অসহযোগীতা,ও শ্রমিকদের সঠিক মূল্যায়ন না করাটা প্রধান কারণ। আমরা হারিয়ে ফেলেছি আদমজী, জুট মিল, পতেঙ্গা স্টীল মিল সহ অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠান আমরা হারিয়ে ফেলেছি সময়ের স্রোতে।অসুস্থ হলে কারখানা কর্তৃপক্ষ অনেক সময় শ্রমিকের ভরণপোষণের দায়িত্ব নিতে চায়না। এবং কারখানা জনিত দূর্ঘটনাতেও শ্রমিক পঙ্গু হলে মালিক চিকিৎসার ভার গ্রহণ করেননা। যুগে যুগে এভাবেই বৈষম্যের শিকার শ্রমিকরা। আমরা একজন চেগুয়েভারাকে চাই আমরা এমন এক বিপ্লবীকে চাই যে উঠে আসবে সাধারণ শ্রমিকের ভাগ্য পরিবর্তনে। সেদিন বুঝি খুব বেশি দূরে নয়।

 

 

 

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102