শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জমকালো আয়োজনে বিএমজেএ সিলেটের ‘ফ্যামিলি ডে’ উদযাপিত ‎ হাকিমপুরে সমাজকল্যাণমন্ত্রীর মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন জনদুর্ভোগ দ্রুত সমাধানের প্রতিশ্রুতি স্থানীয় নির্বাচনে থাকছে না পোস্টার,বাড়ছে জামানত সরকারি জায়গায় বেআইনি বহুতল ভবন নির্মাণ ও টাকা তছরুপ এর বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন সিলেটে ছিনতাইকারীর ছরিকাঘাতে র‌্যাব সদস্য ইমন আচার্য নিহত পটিয়ায় এস এ নুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ও  এমপি এনামুল হককে সংবর্ধনা  ও পুরস্কার বিতরন  ২৯ মে শুরু হচ্ছে মহতরপাড়া ফুটবল টুর্নামেন্টের ৮ম আসর ছিনতাইকারীর কবলে পরিচালক ‎সোহেল খান ঈদ ফ্যাশনে আস্থার নাম আনিরা ওয়ার্ল্ড ডাক্তার সরোজ গুপ্ত ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের ৫৩ বর্ষপূর্তি উদযাপন

স্থানীয় নির্বাচনে থাকছে না পোস্টার,বাড়ছে জামানত

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬
  • ৩৯ বার পড়া হয়েছে

প্রথম ডেক্স 

‎আগামী অক্টোবর মাস থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও রক্তপাতহীন করতে বড় পরিবর্তন আনা হচ্ছে বিধিমালায়।

পরিবর্তিত বিধিমালায় স্থানীয় নির্বাচনে থাকবে না পোস্টারের ব্যবহার। একই সঙ্গে বাদ যাবে ইভিএমের ব্যবহার। আজ শুক্রবার এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানালেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

‎‘সংশোধিত বিধিমালায় অনলাইনে মনোনয়ন দাখিলের বিধান বাতিল করা হবে। নির্বাচন হবে নির্দলীয়, থাকবে না দলীয় প্রতীক। এতে প্রবাসী ভোট বা পোস্টাল ভোটের কোনো ব্যবস্থা থাকছে না। আর নির্দলীয় প্রার্থীদের জন্য বিদ্যমান এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা বাতিল হবে। এ ছাড়া উপজেলা নির্বাচন ছাড়া স্থানীয় সরকারের অন্যান্য সব স্তরের নির্বাচনে বাড়ানো হবে জামানতের পরিমাণ’— যোগ করেন এই ইসি।

‎বিধিমালার চূড়ান্তের সময়ও জানালেন আব্দুর রহমানেল মাছউদ। বললেন, ‘ঈদের পর সংশোধিত বিধিমালা চূড়ান্ত হবে। পুরো বিধি প্রণয়নের কাজ শেষ হবে জুন মাসের মধ্যেই।

সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে চারটি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করলেন এই জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার।

‘প্রথমত, সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি। সরকার কী চায় এবং তাদের দৃষ্টিভঙ্গি কী-সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকতে হবে সরকারকে। দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক দলগুলোর দৃষ্টিভঙ্গি। তারা কী চায়? তারা কি মারামারি-হানাহানির পথে যাবে, নাকি দেশের স্বার্থে দায়িত্বশীল আচরণ করবে? তার ভাষ্য, নির্বাচনে প্রতিযোগিতা থাকবে, কিন্তু সংঘর্ষ নয়। তৃতীয়ত, নির্বাচন কমিশনের আপসহীন মনোভাব। ইসি নিরপেক্ষ থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যদিও ইসির নিজস্ব কোনো শক্তি নেই; তবুও নীতি ও দৃঢ়তার জায়গা থেকে হুংকার দিতে হবে, যাতে পুরো প্রক্রিয়া সুষ্ঠু থাকে। চতুর্থত, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় জড়িত ব্যক্তিদের আচরণ। নির্বাচনী দায়িত্বে থাকেন লাখ লাখ মানুষ। প্রিসাইডিং অফিসার যদি আন্তরিকভাবে বলেন- জালভোট আমি করতে দেব না বা দুই নম্বর কাজ হবে না, তাহলে তা তার সততা, ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্বের গুণাবলির ওপর নির্ভর করে। নিজের সততার শতভাগ দরকার, সঙ্গে থাকতে হবে নেতৃত্বের সক্ষমতাও’, যোগ করেন তিনি।

‎তার মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় হলেও বাস্তবে রাজনৈতিক সমর্থন পেয়ে থাকেন প্রার্থীরা। কোনো দলের সমর্থিত প্রার্থী মাঠে নামলে অন্য পক্ষ থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়ায়। এ অবস্থায় দলগুলোর মধ্যে নিজস্ব রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি না থাকলে এবং তারা নিজেরাই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্নিত হয়। তিনি জানিয়েছেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে দলগতভাবে অনুরোধ জানানো হবে, যাতে তারা নির্বাচনী পরিবেশ উত্তপ্ত না করে, মারামারি, ভাঙচুর, ধাক্কাধাক্কি বা লাঠালাঠি থেকে বিরত থাকে।

‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় দুটি রাজনৈতিক জোট আচরণবিধি মেনে চলেছে বলে দাবি করেন ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি বলেছেন, ‘ভোটের দিন বড় কোনো ঝামেলা, কেন্দ্র দখল বা ব্যালট ছিনতাইয়ের ঘটনা খুব কম হয়েছে। এজন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে কৃতিত্ব দেওয়া উচিত।’

স্থানীয় নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ‘রিটার্নিং অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং স্টাফরা স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে কোনো ধরনের অনিয়ম বা ভেজাল ধরা পড়লে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্র বন্ধ করার ক্ষমতা আইন ও বিধিমালায় রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা।’

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102