বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ০৮:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রত্যাশী ‎মো. কাউসার ফারুক আজ বিশ্ব চা দিবস বিলীনের পথে শতাধিক বছরের পুরোনো শিবমন্দির আসক ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন লায়ন হাজী নুরুল আলম জাহাজের ক্রু নিহতের ঘটনায় আটক ১ ধর্মতলা হেরিটেজ অডিটোরিয়ামে লোক জনশক্তি পার্টির সাংবাদিক বৈঠক              বিশ্ব নাট্যদিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে থিয়েটার মুরারিচাঁদের আয়োজন ‎ হুগলির চুঁচুড়ায় সাংবাদিক পরিবার প্রাণের ভয়ে বাড়িছাড়া হয়ে ঘুরছে সিলেটে ঈদুল আজহা উপলক্ষে “রক্তের অনুসন্ধানে আমরা” সংগঠনের ঈদ উপহার বিতরণ ও মেহেদী উৎসব ‎ মানবতার দিশারী “নব সোপান”সেচ্ছাসেবী সংগঠনের বর্ষপূর্তি উদযাপন

আজ বিশ্ব চা দিবস

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
  • ২৯ বার পড়া হয়েছে

উৎফল বড়ুয়া

‎আজ ২১ মে বিশ্ব চা দিবস। তাই বলা যায়, আজকের দিনটি চা প্রেমীদের দিন। তারা চাইলে আজকের দিনটি উদযাপনে একত্রিত হতে পারেন, কিংবা মেতে উঠতে পারেন চা আড্ডায়।

‎এই চায়ের পেছনে আছে শত বছরের ইতিহাস, বাণিজ্য, আন্দোলন, সংস্কৃতি, এমনকি রাজনীতি পর্যন্ত! বুধবার (২১ মে) বিশ্ব চা দিবস এমন একটি দিন যেটা শুধু চায়ের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের জন্য নয়, বরং বিশ্বজুড়ে চা উৎপাদন ও এর সঙ্গে জড়িত পেছনের মানুষগুলোর গুরুত্বও অপরিসীম।

‎চায়ের ইতিহাস: হাজার বছরের পুরোনো ঐতিহ্য
‎চায়ের ইতিহাস শুরু চীনে, প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে। কিংবদন্তি অনুসারে, খ্রিস্টপূর্ব ২৭৩৭ সালে চীনা সম্রাট শেন নাংয়ের পানির পাত্রে একটি চা গাছের পাতা পড়ে, আর সেখান থেকেই চা আবিষ্কৃত হয়। পরে এই পানীয় ছড়িয়ে পড়ে জাপান, কোরিয়া, ভারত ও ইউরোপে।

‎১৬০০ শতকে ব্রিটিশদের হাত ধরে চা পৌঁছে যায় ইউরোপে। ব্রিটিশরা ভারত ও শ্রীলঙ্কায় বিশাল চা বাগান তৈরি করে। বাংলাদেশেও বৃটিশ শাসনামলেই চায়ের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়, বিশেষ করে ১৮৫৭ সালে মালনীছড়া চা বাগান দিয়ে।
‎বিশ্ব চা দিবস: কীভাবে শুরু হলো?
‎বিশ্ব চা দিবস প্রথম চালু হয় ২০০৫ সালে, দক্ষিণ এশিয়ার চা উৎপাদনকারী দেশগুলোর উদ্যোগে। তখন দিবসটি পালিত হতো ১৫ ডিসেম্বর, ভারতের দিল্লিতে প্রথম উদযাপন হয়। পরে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) ২০১৯ সালে ২১ মে দিনটিকে আন্তর্জাতিক World Tea Day হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।


‎এই দিবসটি পালনের মূল উদ্দেশ্য
‎• চা উৎপাদনে নিয়োজিত শ্রমিকদের অধিকার ও অবদানের স্বীকৃতি
‎• চা শিল্পের টেকসই উন্নয়ন
‎• আন্তর্জাতিকভাবে ন্যায্য মূল্যের গুরুত্ব তুলে ধরা
‎• চা খাতের পরিবেশবান্ধব ও অর্থনৈতিক অবদান তুলে ধরা
‎বাংলাদেশ ও চা: এক অমলিন সম্পর্ক
‎বাংলাদেশ চা উৎপাদনে বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম। বিশেষ করে সিলেট, চট্টগ্রাম ও পঞ্চগড় অঞ্চলে বিস্তীর্ণ চা-বাগান রয়েছে। দেশে প্রায় ১ লাখের বেশি শ্রমিক এই শিল্পের সাথে সরাসরি জড়িত, যাদের বেশিরভাগই নারী।
‎১৬০০ শতকে ব্রিটিশদের হাত ধরে চা পৌঁছে যায় ইউরোপে। ব্রিটিশরা ভারত ও শ্রীলঙ্কায় বিশাল চা বাগান তৈরি করে। বাংলাদেশেও বৃটিশ শাসনামলেই চায়ের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়, বিশেষ করে ১৮৫৭ সালে মালনীছড়া চা বাগান দিয়ে।
‎বিশ্ব চা দিবস: কীভাবে শুরু হলো?
‎বিশ্ব চা দিবস প্রথম চালু হয় ২০০৫ সালে, দক্ষিণ এশিয়ার চা উৎপাদনকারী দেশগুলোর উদ্যোগে। তখন দিবসটি পালিত হতো ১৫ ডিসেম্বর, ভারতের দিল্লিতে প্রথম উদযাপন হয়। পরে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) ২০১৯ সালে ২১ মে দিনটিকে আন্তর্জাতিক World Tea Day হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
‎এই দিবসটি পালনের মূল উদ্দেশ্য
‎• চা উৎপাদনে নিয়োজিত শ্রমিকদের অধিকার ও অবদানের স্বীকৃতি
‎• চা শিল্পের টেকসই উন্নয়ন
‎• আন্তর্জাতিকভাবে ন্যায্য মূল্যের গুরুত্ব তুলে ধরা
‎• চা খাতের পরিবেশবান্ধব ও অর্থনৈতিক অবদান তুলে ধরা
‎বাংলাদেশ ও চা: এক অমলিন সম্পর্ক
‎বাংলাদেশ চা উৎপাদনে বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম। বিশেষ করে সিলেট, চট্টগ্রাম ও পঞ্চগড় অঞ্চলে বিস্তীর্ণ চা-বাগান রয়েছে। দেশে প্রায় ১ লাখের বেশি শ্রমিক এই শিল্পের সাথে সরাসরি জড়িত, যাদের বেশিরভাগই নারী।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102