
অরুন নাথ,পটিয়া(চটগ্রাম)ঃ
ঈদ মানে খুশী,ঈদ মানে আনন্দ,ঈদ বয়ে আনুক সবার সুখ,শান্তি।পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়ন এলাকার মেহের আটি গ্রামের কৃতিসন্তান এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান,শিক্ষানুরাগী বিশিষ্ট সমাজসেবক,অসম্প্রদায়িক ব্যক্তিত্ব গুনের অধিকারী,বিশিষ্ট দানশীল ব্যাক্তিত্ব শিল্পপতি আলহাজ্ব জামাল ছাওার মিয়া চট্টগ্রাম তথা পটিয়া বাসীর সর্বস্তরের জনসাধারনকে মানবতার মহিমায় জানিয়েছেন পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা।
মঙ্গলবার(২৬শে মে) এক ফোনালাপ বার্তার মাধ্যমে এই শুভেচ্ছা বার্তা প্রকাশ করেন তিনি।
অসহায় দরিদ্র মানুষের পরম বন্ধু এই শিল্পপতি আলহাজ্ব জামাল ছাওার মিয়া বলেন,ঈদ ফিতর ও ঈদুল আজহা হলো ইসলামের বিশেষ উৎসব,যা সারা বিশ্বে মুসলমানরা বিভিন্নভাবে উদযাপন করে।ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা হচ্ছে মুসলমানদের বড় উৎসব।বছরে দুইটি ঈদ আছে।
একটি হচ্ছে ঈদুল ফিতর,আর আরেকটি হচ্ছে ঈদুল আযহা।ঈদুল ফিতর হচ্ছে মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা রোজা পালন করার পরের দিন,যা মুসলমানদের জন্য আনন্দ ও উদযাপনের সময়।আর ঈদুল আযহা কোরবানি উৎসব,যা হজ্বের সাথে সম্পর্কিত।মুসলমানরা এই দিনে পশু কোরবানি দিয়ে আল্লাহর প্রতি তাদের আনুগত্য প্রকাশ করে।এই দুইটি দিন শুধু উৎসবই নয়,বরং এটি ভাতৃত্ব,বন্ধুত্ব এবং সামাজিক সম্প্রীতির বার্তাও বহন করে।
এ ছাড়া আমরা সকলেই মানব হিসেবে মানুষের শ্রেনী,
জাতি,ভেদাভেদ ভূলে এই ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি।প্রতি ঈদে নিজের পরিবারের মতো অসহায়দের খোঁজ খবর রাখতে হবে।আমি এ জন্য মানবকল্যানে পটিয়া তথা নিজ এলাকা মেহেরআঠি গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রা মানোয়নের জন্য প্রতিষ্টা করেছি অরাজনৈতিক ও জনহিতকর প্রতিষ্টান ফিরোজা রউফ ফাউন্ডেশ।সেই ফাউন্ডেশন থেকে ঈদ,কোরবান উৎসব ছাড়াও সারা বছর গ্রামে পিছিয়ে পড়া মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা,শিক্ষা ক্ষেত্রে মেধাবী শিক্ষার্থীদের অনুদান,গ্রামের অবকাটামো উন্নয়ন রাস্তা সংস্কার,সুপেয় পানি সংকট নিরসনে গভীর নলকূপ স্হাপন,গরীব,অসহায় পরিবারের কন্যার বিবাহে আর্থিক সহায়তা প্রদান সহ সকল সামাজিক আরো নানা কাজে আমার এই ফাউন্ডেশন সর্বদা অগ্রনী ভূমিকা পালন করেন এবং আগামীতেও এই কর্মযজ্ঞ অব্যহত থাকবে,এসব কথা বলেন তিনি।
আরো বলেন মহিমান্নিত এই পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে কোরবানির প্রকৃত শিক্ষা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে ভালবাসা,সহমর্মিতা ও মানবতার মাধ্যমে এবং হানাহানি ও সংঘাতমুক্ত সমাজ বিনির্মানের আশাও ব্যক্ত করেন তিনি।