বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ওয়েস্ট বেঙ্গল বেকার্স অ্যাসোসিয়েশনের ২৬ তম রাজ্য সম্মেলন সম্পন্ন পরিকল্পিত, সমন্বিত, টেকসই ও আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ যাত্রা সিলেটে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীমের মতবিনিময় সভা সিলেটে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীমের মতবিনিময় সভা সিলেটে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীমের মতবিনিময় সভা রবীন্দ্র ভবনে রুরাল মেডিকেল ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের বর্ষপূর্তি উদযাপন র‍্যাম্প থেকে পর্দায়, নিজের মতোই সাবরিনা সাবরিন বরমা ত্রাহি মেনকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী-অভিভাবক সমাবেশ সম্পন্ন বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চন্দনাইশে প্রস্তুতি সভা সিলেট মহানগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা মন্ত্রীর

বর্ণ বৈষম্যের প্রতিবাদ করে ট্রলের শিকার কারিনা

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২০
  • ১২৮ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক : আমেরিকায় এক কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডকে পুলিশি নিগ্রহের ভিডিও প্রকাশে উত্তাল বিশ্ব। দেশটিতে বর্ণ বৈষম্যের অবসানের দাবিতে যুগে যুগে অনেক আন্দোলন হয়েছে। তবে এবার এ বিক্ষোভও অনন্য মাত্রায় আন্দোলনের রূপ পেয়েছে। এ আন্দোলনে একাত্ম হয়েছেন হলিউড ও বলিউড তারকারাও।

হলিউডের এক ঝাঁক তারকা সুর মিলিয়েছেন বর্ণবিরোধী আন্দোলনে। এদের মধ্যে রিহানা, অ্যালিসিয়া কিজ, রেডিয়োহেড, কোল্ডপ্লে, কেলি রোল্যান্ড, বেস্টি বয়েজ শামিল হয়েছেন প্রতিবাদে। এছাড়া গ্যাল গ্যাডট, লিলি রেনহার্টও বুঝিয়ে দিয়েছেন, ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’।

বলিউডেও উঠেছে এই প্রতিবাদের ঢেউ। করণ জোহর, ভিকি কৌশল, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, সারা আলি খান, তারা সুতরিয়া, কারিশমা কাপুর, রিতেশ দেশমুখ, রাধিকা আপ্তে, নেহা ধুপিয়া, প্রীতি জিনতা, সুজান খানও সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছেন কালো ছবি। তবে প্রতিবাদ করেও ট্রলের শিকার হয়েছেন অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান।

হলিউডের নানা তারকার সঙ্গে এই প্রতিবাদে প্রথম গলা মিলিয়েছিলেন কারিনা কাপুর। কিন্তু ট্রল ছাড়েনি তাকে। ‘আজনাবি’ সিনেমায় সহ-অভিনেত্রী বিপাশা বসুকে ‘কালি বিল্লি’ বলে সম্বোধন করেছিলেন কারিনা। এর পরে কারিনা-বিপাশার এই ‘কালো বিড়াল’ সংক্রান্ত ঝামেলা বহু দিন চলেছিল। তাই জর্জ ফ্লয়েডের ঘটনায় কারিনাকে প্রতিবাদ করতে দেখে ইনস্টাগ্রামে অনেকেই সেই পুরনো ঘটনা মনে করিয়ে দিয়ে বলছেন, ‘নিজের জীবনের সেই ঘটনা কি ভুলে গিয়েছেন?’

কেউ আবার কারিনার ফেয়ারনেস ক্রিমের বিজ্ঞাপনে মুখ দেখানোর ঘটনাকেও মনে করিয়ে দিয়েছেন। একবার দিশা পাটানি শেয়ার করেছিলেন, ‘অল কালার ইজ বিউটিফুল!’ তাহলে প্রসাধনী মেখে রং বদলানোর ব্যবসায় কারিনা বা দিশা নিজেদের জড়িয়েছিলেন কেন, এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। নেটিজেনদের অভিযোগ, ভারতের অভ্যন্তরেও যে বৈষম্যের ঘটনা ঘটে তা নিয়ে কেন কথা বলেন না এখনকার প্রতিবাদীরা। কাশ্মীর ইস্যুতে কিংবা দেশের অভ্যন্তরে সংখ্যালঘুদের বিষয়ে কেন চুপ থাকেন তারা।

তবে প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে শুধু নেটিজেনরাই যে কথা বলেছেন, এমন নয়। তাদের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন সাহসী অভিনেত্রী কঙ্গনা রনৌত। অপ্রীতিকর বিষয়েও স্পষ্ট কথা বলার জন্য বিশেষ নামডাক আছে তার। তিনি বলেন, ক’সপ্তাহ আগেই পালঘরে যেভাবে সাধুদের হত্যা করা হলো, কই সে নিয়ে তো কেউ মুখ খোলেনি! ঘটনাটা ঘটেছিল মহারাষ্ট্রেই, যেখানে বেশির ভাগ সেলেব্রিটিরা থাকেন।

প্রতিবাদের নানা স্তর থাকে। একটি ঘটনার প্রতিবাদ যে আরও নানা ঘটনায় মুখ বন্ধ করে থাকার স্মৃতি এভাবে উস্কে দেবে, তা হয়তো বুঝে উঠতে পারেননি প্রতিবাদী তারকারাও।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

সাফল্যের আলোয় নেপথ্যে এ আর পিয়াস মো আবদুল করিম সোহাগ একটি বিজ্ঞাপনে কয়েক সেকেন্ডের উপস্থিতিই কখনো একটি চরিত্রকে দর্শকের মনে গেঁথে দিতে পারে। কারও চোখের অভিব্যক্তি, কারও কথার ধরন কিংবা পর্দায় উপস্থিতির স্বাভাবিকতাই বদলে দিতে পারে পুরো বিজ্ঞাপনের আবহ। কিন্তু সেই চরিত্রের জন্য ঠিক মানুষটিকে খুঁজে বের করার কাজটি শুরু হয় ক্যামেরা চালুর অনেক আগেই। সেই নেপথ্যের কাজটিই করেন একজন কাস্টিং ডিরেক্টর। আর বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে এই দায়িত্ব পালন করে আসছেন এ আর পিয়াস। টেলিভিশন বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে ফটোশুট, ডিজিটাল কনটেন্ট ও বিভিন্ন অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রজেক্টে উপযুক্ত শিল্পী নির্বাচনের মাধ্যমে নির্মাতা, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ডের ভাবনাকে পর্দায় বাস্তব রূপ দিতে কাজ করছেন তিনি। একটি চরিত্রের জন্য কাকে নেওয়া হবে, সেটি শুধুই চেহারা দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয় নয়। চরিত্রটির বয়স, ব্যক্তিত্ব, শারীরিক উপস্থিতি, অভিব্যক্তি, অভিনয়ের দক্ষতা, কথাবলার ধরন থেকে শুরু করে গল্পের সঙ্গে তার স্বাভাবিক সামঞ্জস্য, সবকিছুই বিবেচনায় রাখতে হয়। কখনো পরিচিত একজন অভিনয়শিল্পীর বদলে একেবারে নতুন কাউকে বেছে নেওয়াই হয়ে উঠতে পারে সঠিক সিদ্ধান্ত। এ আর পিয়াসের কাজের দর্শনও অনেকটা সেখানেই। তার কাছে কাস্টিং মানে পরিচিত মুখের তালিকা থেকে একজনকে বেছে নেওয়া নয়। বরং গল্পের প্রয়োজন বুঝে এমন একজনকে খুঁজে বের করা, যাকে চরিত্রটির মধ্যে স্বাভাবিকভাবে দেখা যায়। কারণ তার মতে, অভিনয়শিল্পী ও চরিত্রের মধ্যে মিল তৈরি না হলে ভালো গল্প কিংবা বড় বাজেটের নির্মাণও দর্শকের কাছে প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারে না। কাজটি তাই শুরু হয় স্ক্রিপ্ট পড়া কিংবা নির্মাতার ব্রিফ বোঝার মধ্য দিয়ে। চরিত্রটির প্রয়োজন কী, তাকে পর্দায় কেমন দেখাতে হবে, তার বয়স বা ব্যক্তিত্ব কেমন হওয়া উচিত, অভিনয়ের ক্ষেত্রে কী ধরনের সক্ষমতা প্রয়োজন, এসব বিষয় বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য শিল্পীদের খুঁজে বের করেন কাস্টিং ডিরেক্টর। এরপর অডিশন, স্ক্রিন টেস্ট কিংবা অন্যান্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের যাচাই করে নির্মাতা ও সংশ্লিষ্ট টিমের সামনে উপযুক্ত প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। বিজ্ঞাপনের জগতে এ আর পিয়াসের কাজের পরিধিও বেশ বিস্তৃত। সাম্প্রতিক সময়ে তার কাস্টিং করা উল্লেখযোগ্য টেলিভিশন বিজ্ঞাপনের মধ্যে রয়েছে গ্রামীণফোন, সেভয় আইসক্রিম, সখী স্যানিটারি ন্যাপকিন, ওয়ালটন রেফ্রিজারেটর, বিকাশ, ইনফিনিক্স মোবাইল, কুমারিকা হেয়ার অয়েল, ক্লোজআপ, লাইফবয়, সার্ফ এক্সেল, রিয়েলমি ফোন, ভ্যাসলিন, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি, অপো মোবাইল, মার্ক্স পাউডার মিল্ক ও আকিজ ড্রিংকিং ওয়াটারসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কাজ। তবে বিজ্ঞাপনের পরিসর এখন আর শুধু টেলিভিশনকেন্দ্রিক নেই। ওভিসি, ডিজিটাল বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ড কনটেন্ট, ফটোশুট, মিউজিক ভিডিও থেকে শুরু করে বিভিন্ন অডিও-ভিজ্যুয়াল ও ওটিটি প্রজেক্টেও চরিত্র ও ট্যালেন্টের প্রয়োজন বাড়ছে। একই সঙ্গে বদলেছে শিল্পী খোঁজার মাধ্যমও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের কারণে এখন অনেক নতুন মুখ সহজেই নিজের প্রতিভা তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছেন। তাদের মধ্য থেকে একটি নির্দিষ্ট চরিত্রের জন্য উপযুক্ত শিল্পী খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে কাস্টিং ডিরেক্টরের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নির্মাতা ও নতুন ট্যালেন্টের মধ্যে এই জায়গাটিই অনেকটা সেতুর মতো কাজ করে। এ আর পিয়াস মনে করেন, প্রতিটি মানুষের মধ্যেই আলাদা কোনো না কোনো সম্ভাবনা থাকে। সেই সম্ভাবনাকে চিহ্নিত করে সঠিক চরিত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়াই একজন কাস্টিং ডিরেক্টরের বড় দায়িত্ব। ফলে তার কাজের লক্ষ্য শুধু পরিচিত শিল্পীদের নিয়ে কাজ করা নয়, চরিত্রের প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন প্রতিভাকেও সামনে নিয়ে আসা। বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে সময়ের সীমাবদ্ধতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই একটি গল্প, আবেগ কিংবা ব্র্যান্ডের বার্তা দর্শকের কাছে পৌঁছে দিতে হয়। সেই অল্প সময়ের মধ্যে চরিত্রটি যদি বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠতে পারে, তাহলে বিজ্ঞাপনের প্রভাবও অনেক বেড়ে যায়। আর সেই বিশ্বাসযোগ্যতার শুরুটা হয় সঠিক মানুষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। এ কারণেই বিজ্ঞাপনের পর্দায় একজন অভিনয়শিল্পীকে যতটা দেখা যায়, তার পেছনে থাকা কাস্টিং প্রক্রিয়াটিও ততটাই গুরুত্বপূর্ণ। এ আর পিয়াস সেই নেপথ্যের কাজটিকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়ে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। আগামী দিনে বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন ও মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিতে কাস্টিংকে আরও পেশাদার ও বিস্তৃত পরিসরে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে তার। নতুন ও অভিজ্ঞ শিল্পীদের সমন্বয়ে নির্মাতা ও ব্র্যান্ডের প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ট্যালেন্ট খুঁজে দেওয়ার কাজটিকেই আরও বড় পরিসরে এগিয়ে নিতে চান তিনি। কারণ একটি বিজ্ঞাপনের সাফল্যের গল্পে ক্যামেরার সামনে থাকা মুখগুলো যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সেই মুখগুলোকে গল্পের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়ার নেপথ্যের কারিগরও কম গুরুত্বপূর্ণ নন। সেই নেপথ্যের কারিগরদের একজন হিসেবেই নিজের জায়গা তৈরি করছেন কাস্টিং ডিরেক্টর এ আর পিয়াস

©2020 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102