বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতায় ওয়েস্ট বেঙ্গল বেকার্স অ্যাসোসিয়েশনের ২৬ তম রাজ্য সম্মেলন সম্পন্ন পরিকল্পিত, সমন্বিত, টেকসই ও আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ যাত্রা সিলেটে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীমের মতবিনিময় সভা সিলেটে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীমের মতবিনিময় সভা সিলেটে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীমের মতবিনিময় সভা রবীন্দ্র ভবনে রুরাল মেডিকেল ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের বর্ষপূর্তি উদযাপন র‍্যাম্প থেকে পর্দায়, নিজের মতোই সাবরিনা সাবরিন বরমা ত্রাহি মেনকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী-অভিভাবক সমাবেশ সম্পন্ন বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চন্দনাইশে প্রস্তুতি সভা সিলেট মহানগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা মন্ত্রীর

দক্ষতা, সৃজনশীলতা আর পরিশ্রমে নিজেকে আলাদা করেছেন জামির স্বপ্ন

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১১৫ বার পড়া হয়েছে

মো আবদুল করিম সোহাগ -ঢাকা

রূপসজ্জা শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্যচর্চা নয়, এটি একজন মানুষের আত্মবিশ্বাস, ব্যক্তিত্ব ও উপস্থিতিকে নতুনভাবে ফুটিয়ে তোলার এক অনন্য শিল্প। আর এই শিল্পকেই নিজের স্বপ্ন, ভালোবাসা ও পেশায় পরিণত করেছেন মো: জামির হোসেন খান, যিনি শোবিজ ও বিউটি অঙ্গনে বেশি পরিচিত ‘জামির স্বপ্ন’ নামে।
ছোটবেলা থেকেই মানুষের সাজ, উপস্থিতি আর পরিবর্তনের বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করতেন তিনি। কীভাবে একটি সুন্দর রূপসজ্জা একজন মানুষের আত্মবিশ্বাসকে পুরোপুরি বদলে দিতে পারে, সেই অনুভূতিই তাকে এই পেশার দিকে টেনে আনে। তার ভাষায়, মেকআপ শুধু সৌন্দর্য নয়, এটি রূপান্তরের এক শিল্প। আর সেই অনুপ্রেরণাই আজ তার নেশা থেকে পেশায় পরিণত হয়েছে।
জামির স্বপ্ন জানান, শুরুটা ছিল একান্ত ভালোবাসা ও আগ্রহ থেকে। তবে খুব দ্রুতই তিনি বুঝতে পারেন, এই অঙ্গনে পেশাদারভাবে এগিয়ে যেতে হলে প্রয়োজন কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা এবং ধারাবাহিকতা। সেই উপলব্ধি থেকেই তিনি ধীরে ধীরে নিজেকে এই পেশায় প্রতিষ্ঠিত করার কাজ শুরু করেন। আজ দেশের বিভিন্ন জেলায় কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন তিনি, যা তার দীর্ঘ পরিশ্রমেরই ফল।
শুরুর দিকে তিনি নিজে নিজেই শেখার পথ বেছে নেন। নিয়মিত চর্চা, গবেষণা এবং বাস্তব ক্লায়েন্টদের সঙ্গে কাজ করার মধ্য দিয়েই নিজের দক্ষতা তৈরি করেন। পরে পেশাদার প্রশিক্ষণ নিয়ে আরও সমৃদ্ধ করেন নিজের কাজের মান। তিনি বিশ্বাস করেন, শেখার কোনো শেষ নেই। একজন শিল্পীর জন্য প্রতিনিয়ত নিজেকে আপডেট রাখা এবং নতুন কিছু শেখা খুবই জরুরি।
তার প্রথম ক্লায়েন্টের অভিজ্ঞতাও ছিল বেশ স্মরণীয়। কাজের সময় চাপ থাকলেও শেষ পর্যন্ত ক্লায়েন্টের সন্তুষ্টি তাকে ভীষণ আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। সেই প্রথম কাজটিই তাকে বিশ্বাস করায়, এ পথই তার জন্য সঠিক।
এখন পর্যন্ত বহু কনের বিশেষ দিনের অংশ হতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন জামির স্বপ্ন। তবে তার কাছে সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত হলো, যখন কোনো ক্লায়েন্ট আয়নায় নিজেকে দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। একজন রূপসজ্জা শিল্পীর কাছে এমন প্রতিক্রিয়া নিঃসন্দেহে অমূল্য।
কাজের ক্ষেত্র হিসেবে ব্রাইডাল মেকআপ-কেই নিজের সবচেয়ে শক্তিশালী জায়গা বলে মনে করেন তিনি। কারণ তার মতে, বিয়ের সাজে শুধু মেকআপ নয়, আবেগ, নিখুঁত উপস্থাপন, ফটোগ্রাফি এবং পুরো আয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করতে হয়। তবে ফ্যাশন ও মিডিয়া লুকেও তিনি সমানভাবে দক্ষ এবং বহুমাত্রিক কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
পেশাজীবনে নানা চ্যালেঞ্জও মোকাবিলা করতে হয়েছে তাকে। বিশেষ করে ব্রণ, ত্বকের উঁচুনিচু ভাব কিংবা সংবেদনশীল ত্বক নিয়ে কাজ করাকে তিনি সবচেয়ে কঠিন বলে মনে করেন। তবে সঠিক ত্বক প্রস্তুতি, উপযুক্ত কৌশল এবং পণ্যের সঠিক ব্যবহার জানলে যেকোনো ত্বকেই নিখুঁত ফিনিশ আনা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি। আর এটিই একজন প্রকৃত পেশাদার মেকআপ আর্টিস্টের দক্ষতার পরিচয়।
একজন সফল মেকআপ আর্টিস্ট হওয়ার ক্ষেত্রে কী সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, এমন প্রশ্নে জামির স্বপ্ন স্পষ্ট করে বলেন, টেকনিক, পণ্য সম্পর্কে জ্ঞান এবং সৃজনশীলতা—তিনটিই সমান গুরুত্বপূর্ণ। তার মতে, কৌশল ছাড়া নিখুঁত কাজ সম্ভব নয়, সঠিক পণ্য ছাড়া ভালো ফিনিশ পাওয়া যায় না, আর সৃজনশীলতা ছাড়া একজন শিল্পীর নিজস্ব পরিচয় গড়ে ওঠে না।
ত্বকের ধরন অনুযায়ী মেকআপ বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি বেশ সচেতন। তিনি সবসময় প্রথমে ত্বক বিশ্লেষণ করেন। ত্বকের ধরন, গঠন ও সমস্যা বুঝে ত্বক পরিচর্যার প্রস্তুতি নেওয়ার পর ধাপে ধাপে পণ্য ব্যবহার করেন, যাতে সাজ শুধু সুন্দরই না হয়, দীর্ঘস্থায়ী এবং ত্বকবান্ধবও হয়।
বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে মেকআপ শিল্পীদের ক্যারিয়ারে বড় পরিবর্তন আনা একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে দেখেন তিনি। তার মতে, এটি শুধু কাজ দেখানোর জায়গা নয়, বরং একজন শিল্পীর পরিচিতি, বিশ্বাসযোগ্যতা, ব্র্যান্ডিং এবং ক্লায়েন্টের সঙ্গে সংযোগ তৈরির অন্যতম কার্যকর প্ল্যাটফর্ম।
বাংলাদেশে এই পেশার ভবিষ্যৎ নিয়েও বেশ আশাবাদী জামির স্বপ্ন। তিনি মনে করেন, দেশের বিউটি ইন্ডাস্ট্রি এখন দ্রুত বিকশিত হচ্ছে। দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিল্পীদের চাহিদাও দিন দিন বাড়ছে। যারা পেশাদারভাবে এই অঙ্গনে আসতে চান, তাদের জন্য সামনে রয়েছে বিশাল সম্ভাবনা। এমনকি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বাংলাদেশের শিল্পীরা নিজেদের মেলে ধরতে পারবেন বলে বিশ্বাস করেন তিনি।
শুধু একজন মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবেই নয়, একজন প্রশিক্ষক হিসেবেও নিজের পরিচয় গড়ে তুলেছেন জামির স্বপ্ন। তিনি জানান, বাংলাদেশের ৫০টিরও বেশি জেলায় তিনি প্রশিক্ষণ দিয়েছেন, যেখানে প্রতি জেলায় ২০০ থেকে ৪০০ জন পর্যন্ত শিক্ষার্থী তার কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। তার এই কাজ ইতোমধ্যেই জাতীয় গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।
ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সম্পর্কে জামির স্বপ্ন বলেন, তিনি শুধু নিজের সাফল্যেই থেমে থাকতে চান না। তার বড় স্বপ্ন হলো, বাংলাদেশের বিউটি ইন্ডাস্ট্রিকে আন্তর্জাতিক মানে তুলে ধরা এবং বিশ্বমঞ্চে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা।
নিজের নামের মতোই তিনি আজ স্বপ্ন দেখেন, আর সেই স্বপ্নকে রঙ, রূপ আর দক্ষতার ছোঁয়ায় বাস্তবে রূপ দিচ্ছেন প্রতিদিন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

সাফল্যের আলোয় নেপথ্যে এ আর পিয়াস মো আবদুল করিম সোহাগ একটি বিজ্ঞাপনে কয়েক সেকেন্ডের উপস্থিতিই কখনো একটি চরিত্রকে দর্শকের মনে গেঁথে দিতে পারে। কারও চোখের অভিব্যক্তি, কারও কথার ধরন কিংবা পর্দায় উপস্থিতির স্বাভাবিকতাই বদলে দিতে পারে পুরো বিজ্ঞাপনের আবহ। কিন্তু সেই চরিত্রের জন্য ঠিক মানুষটিকে খুঁজে বের করার কাজটি শুরু হয় ক্যামেরা চালুর অনেক আগেই। সেই নেপথ্যের কাজটিই করেন একজন কাস্টিং ডিরেক্টর। আর বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে এই দায়িত্ব পালন করে আসছেন এ আর পিয়াস। টেলিভিশন বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে ফটোশুট, ডিজিটাল কনটেন্ট ও বিভিন্ন অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রজেক্টে উপযুক্ত শিল্পী নির্বাচনের মাধ্যমে নির্মাতা, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ডের ভাবনাকে পর্দায় বাস্তব রূপ দিতে কাজ করছেন তিনি। একটি চরিত্রের জন্য কাকে নেওয়া হবে, সেটি শুধুই চেহারা দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয় নয়। চরিত্রটির বয়স, ব্যক্তিত্ব, শারীরিক উপস্থিতি, অভিব্যক্তি, অভিনয়ের দক্ষতা, কথাবলার ধরন থেকে শুরু করে গল্পের সঙ্গে তার স্বাভাবিক সামঞ্জস্য, সবকিছুই বিবেচনায় রাখতে হয়। কখনো পরিচিত একজন অভিনয়শিল্পীর বদলে একেবারে নতুন কাউকে বেছে নেওয়াই হয়ে উঠতে পারে সঠিক সিদ্ধান্ত। এ আর পিয়াসের কাজের দর্শনও অনেকটা সেখানেই। তার কাছে কাস্টিং মানে পরিচিত মুখের তালিকা থেকে একজনকে বেছে নেওয়া নয়। বরং গল্পের প্রয়োজন বুঝে এমন একজনকে খুঁজে বের করা, যাকে চরিত্রটির মধ্যে স্বাভাবিকভাবে দেখা যায়। কারণ তার মতে, অভিনয়শিল্পী ও চরিত্রের মধ্যে মিল তৈরি না হলে ভালো গল্প কিংবা বড় বাজেটের নির্মাণও দর্শকের কাছে প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারে না। কাজটি তাই শুরু হয় স্ক্রিপ্ট পড়া কিংবা নির্মাতার ব্রিফ বোঝার মধ্য দিয়ে। চরিত্রটির প্রয়োজন কী, তাকে পর্দায় কেমন দেখাতে হবে, তার বয়স বা ব্যক্তিত্ব কেমন হওয়া উচিত, অভিনয়ের ক্ষেত্রে কী ধরনের সক্ষমতা প্রয়োজন, এসব বিষয় বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য শিল্পীদের খুঁজে বের করেন কাস্টিং ডিরেক্টর। এরপর অডিশন, স্ক্রিন টেস্ট কিংবা অন্যান্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের যাচাই করে নির্মাতা ও সংশ্লিষ্ট টিমের সামনে উপযুক্ত প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। বিজ্ঞাপনের জগতে এ আর পিয়াসের কাজের পরিধিও বেশ বিস্তৃত। সাম্প্রতিক সময়ে তার কাস্টিং করা উল্লেখযোগ্য টেলিভিশন বিজ্ঞাপনের মধ্যে রয়েছে গ্রামীণফোন, সেভয় আইসক্রিম, সখী স্যানিটারি ন্যাপকিন, ওয়ালটন রেফ্রিজারেটর, বিকাশ, ইনফিনিক্স মোবাইল, কুমারিকা হেয়ার অয়েল, ক্লোজআপ, লাইফবয়, সার্ফ এক্সেল, রিয়েলমি ফোন, ভ্যাসলিন, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি, অপো মোবাইল, মার্ক্স পাউডার মিল্ক ও আকিজ ড্রিংকিং ওয়াটারসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কাজ। তবে বিজ্ঞাপনের পরিসর এখন আর শুধু টেলিভিশনকেন্দ্রিক নেই। ওভিসি, ডিজিটাল বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ড কনটেন্ট, ফটোশুট, মিউজিক ভিডিও থেকে শুরু করে বিভিন্ন অডিও-ভিজ্যুয়াল ও ওটিটি প্রজেক্টেও চরিত্র ও ট্যালেন্টের প্রয়োজন বাড়ছে। একই সঙ্গে বদলেছে শিল্পী খোঁজার মাধ্যমও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের কারণে এখন অনেক নতুন মুখ সহজেই নিজের প্রতিভা তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছেন। তাদের মধ্য থেকে একটি নির্দিষ্ট চরিত্রের জন্য উপযুক্ত শিল্পী খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে কাস্টিং ডিরেক্টরের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নির্মাতা ও নতুন ট্যালেন্টের মধ্যে এই জায়গাটিই অনেকটা সেতুর মতো কাজ করে। এ আর পিয়াস মনে করেন, প্রতিটি মানুষের মধ্যেই আলাদা কোনো না কোনো সম্ভাবনা থাকে। সেই সম্ভাবনাকে চিহ্নিত করে সঠিক চরিত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়াই একজন কাস্টিং ডিরেক্টরের বড় দায়িত্ব। ফলে তার কাজের লক্ষ্য শুধু পরিচিত শিল্পীদের নিয়ে কাজ করা নয়, চরিত্রের প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন প্রতিভাকেও সামনে নিয়ে আসা। বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে সময়ের সীমাবদ্ধতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই একটি গল্প, আবেগ কিংবা ব্র্যান্ডের বার্তা দর্শকের কাছে পৌঁছে দিতে হয়। সেই অল্প সময়ের মধ্যে চরিত্রটি যদি বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠতে পারে, তাহলে বিজ্ঞাপনের প্রভাবও অনেক বেড়ে যায়। আর সেই বিশ্বাসযোগ্যতার শুরুটা হয় সঠিক মানুষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। এ কারণেই বিজ্ঞাপনের পর্দায় একজন অভিনয়শিল্পীকে যতটা দেখা যায়, তার পেছনে থাকা কাস্টিং প্রক্রিয়াটিও ততটাই গুরুত্বপূর্ণ। এ আর পিয়াস সেই নেপথ্যের কাজটিকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়ে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। আগামী দিনে বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন ও মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিতে কাস্টিংকে আরও পেশাদার ও বিস্তৃত পরিসরে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে তার। নতুন ও অভিজ্ঞ শিল্পীদের সমন্বয়ে নির্মাতা ও ব্র্যান্ডের প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ট্যালেন্ট খুঁজে দেওয়ার কাজটিকেই আরও বড় পরিসরে এগিয়ে নিতে চান তিনি। কারণ একটি বিজ্ঞাপনের সাফল্যের গল্পে ক্যামেরার সামনে থাকা মুখগুলো যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সেই মুখগুলোকে গল্পের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়ার নেপথ্যের কারিগরও কম গুরুত্বপূর্ণ নন। সেই নেপথ্যের কারিগরদের একজন হিসেবেই নিজের জায়গা তৈরি করছেন কাস্টিং ডিরেক্টর এ আর পিয়াস

©2020 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102