প্রথম ডেক্স
চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বন্যাদুর্গত এলাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য সফর উপলক্ষে হেলিপ্যাড ও জনসভাস্থল নির্ধারণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরের দিকে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ), বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিএনপির নেতৃবৃন্দ যৌথভাবে স্থান পরিদর্শন শেষে বাহারছড়া সমুদ্রসৈকতে হেলিপ্যাড নির্মাণ ও বেড়িবাঁধসংলগ্ন বালুচরে সম্ভাব্য জনসভাস্থল নির্ধারণ করা হয়। এ সময় এসএসএফের মেজর আশিক খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল আশপাশের নিরাপত্তাব্যবস্থা ও সার্বিক প্রস্তুতিও পরিদর্শন করেন।
এর আগে সোমবার চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম সম্ভাব্য সফরস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রস্তুতি, নিরাপত্তা এবং সমন্বয় নিয়ে মতবিনিময় করেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী (পাপ্পা), বাঁশখালীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাকিব উল আলম, সহকারী পুলিশ সুপার (আনোয়ারা সার্কেল) মাহমুদুল হাসান, বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল হক, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মাস্টার লোকমান আহমদ, বাঁশখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র কামরুল ইসলাম হোসাইনী, অ্যাডভোকেট শওকত ওসমান, এম. আবদুল হক এবং দেলোয়ার আজিম।
এছাড়া ডিজিএফআই, এনএসআই ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী (পাপ্পা) বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য বাঁশখালী সফরকে কেন্দ্র করে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। জনসভায় লাখো মানুষের সমাগমের লক্ষ্য নিয়ে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, উপকূলীয় জনপদের টেকসই উন্নয়ন ও মানুষের জীবন-জীবিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ, মেরিন ড্রাইভ সড়ক বাস্তবায়ন, আঞ্চলিক মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ, বন্যাদুর্গত মানুষের পুনর্বাসন এবং খাল পুনঃখননসহ গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন দাবিগুলো প্রধানমন্ত্রীর সফরে বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে আমরা আশা করছি।