তরুণ বিশ্বাস কলকাতা
পূর্ব ভারতে অঙ্গ প্রতিস্থাপন পরিষেবা জোরদার করতে কলকাতার মুকুন্দপুর মণিপাল হাসপাতালের ‘কমপ্রিহেনসিভ ট্রান্সপ্লান্ট সেন্টার’ ১২ই মার্চ, বৃহস্পতিবার মণিপাল হাসপাতালের উদ্যোগে কলকাতার ইকোপার্কস্হ "তাজ তাল কুটির" এ উদ্বোধন করা হলো একটি অত্যাধুনিক' কমপ্রিহেনসিভ ট্রান্স প্লান্ট সেন্টার’।পূর্ব ভারতে অঙ্গ প্রতিস্থাপন পরিষেবা আরও শক্তি শালী ও সহজলভ্য করতে এই বিশেষ কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মতে,এই সেন্টারের মাধ্যমে কিডনি,লিভার এবং বোন ম্যারো প্রতিস্থাপনের উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা এখন এক ছাদের নিচে পাওয়া যাবে। বর্তমান সময়ে দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ, হৃদরোগ এবং বিভিন্ন জটিল রোগের কারণে বহু রোগীর অঙ্গ প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন দেখা দিচ্ছে। কিন্তু পর্যাপ্ত পরিকাঠামো,উন্নত চিকিৎসা প্রযুক্তি এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে অনেক ক্ষেত্রেই রোগীদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। সেই কারণেই পূর্ব ভারতে উন্নত ট্রান্সপ্লান্ট পরিষেবার প্রয়োজ নীয়তা ক্রমশ বাড়ছে।মণিপাল হাসপাতালের এই নতুন কমপ্রিহেনসিভ ট্রান্সপ্লান্ট সেন্টার’সেই প্রয়োজনীয়তার কথা মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে,এই কেন্দ্রের মাধ্যমে আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি, দক্ষ চিকিৎসক দল এবং উন্নত পরিকাঠামোর সমন্বয়ে রোগীদের অঙ্গ প্রতিস্থাপন সংক্রান্ত চিকিৎসা আরও সহজ এবং কার্যকর করে তোলা হবে। এই কেন্দ্র চালু হওয়ার ফলে কিডনি, লিভার এবং বোন ম্যারো প্রতিস্থাপনের মতো জটিল চিকিৎসা পরিষেবা এখন পূর্ব ভারতের রোগীদের কাছে আরও সহজলভ্য হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন চিকিৎসক মহল। এর ফলে অনেক রোগীকে আর অন্য রাজ্যে গিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে না এবং দ্রুত চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগও বাড়বে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের একাধিক বিশিষ্ট চিকিৎসক, বিশেষজ্ঞ এবং কর্তৃপক্ষ। তাঁরা জানান,এই উদ্যোগ পূর্ব ভারতের স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তাঁদের মতে, উন্নত প্রযুক্তি,দক্ষ চিকিৎসক এবং আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার মাধ্যমে রোগীদের আরও উন্নত ও নিরাপদ চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়াই এই কেন্দ্রের মূল লক্ষ্য।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, ভবিষ্যতে ট্রান্সপ্লান্ট চিকিৎসা পরিষেবা আরও উন্নত করতে এবং রোগীদের উন্নত চিকিৎসা সুবিধা দিতে তারা নতুন প্রযুক্তি এবং পরিকাঠামো গড়ে তোলার দিকেও গুরুত্ব দিচ্ছে। মণিপাল হাসপাতালের এই উদ্যোগের ফলে পূর্ব ভারতের স্বাস্থ্য পরিষেবায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।