উৎফল বড়ুয়া
শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে টেকসই করতে হলে যুবসমাজকে দক্ষতা, প্রযুক্তি জ্ঞান এবং উদ্যোক্তা মনোভাব দিয়ে গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই যুগে প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি স্কিল-ভিত্তিক ও কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা সময়ের দাবি।
দক্ষ, উদ্ভাবনী ও উদ্যোক্তাবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বৃহস্পিতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর স্কিলস ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউটে তারুণ্য বিনিয়োগ শিরোনামে “সেপিং এ স্কিলড, ইনোভেটিভ এন্ড এন্টারপ্রেনারাল বাংলাদেশ” শীর্ষক এক পলিসি ডাইলোগ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এডাস্ট বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান শামসুল আলম লিটন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি “স্কিলস এন্ড এন্টারপ্রেনারশিপ ড্রাইভেন ইউনিভার্সিটি” হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং শিল্পখাতের সঙ্গে একাডেমিয়ার কার্যকর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এসময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এডাস্ট বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আরিফুল বারী মজুমদার, সদস্য-সচিব মোঃ কামরুজ্জামান লিটু, সদস্য ড. মোহাম্মদ সিরাজুল হক চৌধুরী ও মোসা. কামরুন নেহার।
সম্মাননীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, মানবিক গুনাবলী সম্পন্ন দক্ষ মানব সম্পদ তৈরি করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্কিলস ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট (এসডিআই)-এর চিফ অপারেটিং অফিসার শোয়েব সাজ্জাদ খান। তাঁর উপস্থাপনায় এসডিআই-এর চলমান দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম, ইন্টার্নশিপ সংযোগ, প্রোডাক্টিভ এন্টারপ্রেনারশিপ ইনকিউবেশন এবং বাস্তব অর্থনীতির সাথে শিক্ষার সংযোগ স্থাপনের কৌশল তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের চীফ একাডেমিক এডভাইজর, রেজিস্ট্রার, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, নীতিনির্ধারক, শিল্প উদ্যোক্তা এবং বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা দক্ষতা উন্নয়ন, কারিকুলাম আধুনিকায়ন, শিল্প-একাডেমিয়া অংশীদারিত্ব এবং উদ্যোক্তা সৃষ্টির টেকসই কাঠামো নিয়ে মতামত প্রদান করেন।
এ ধরনের পলিসি ডাইলোগ ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ে দক্ষতা উন্নয়ন নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে কার্যকর অবদান রাখবে এবং একটি দক্ষ, উদ্ভাবনী ও উদ্যোক্তা বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।