মো আবদুল করিম সোহাগ
শাফিউল রাজ বেড়ে ওঠা বরিশাল বিভাগের বরগুনা জেলায়। তবে শুধুমাত্র অভিনয় শেখার প্রবল আগ্রহের কারণেই একটা সময়ের পরে বাড়ি ছেড়ে পাড়ি দিয়েছিলেন ভিন্ন এক অচেনা শহরে।
তর প্রধান উদ্দেশ্য ছিলো থিয়েটারে ভর্তি হওয়া এবং অভিনয় শেখা।
বাবা-মা'র অমতেই থিয়েটারে ভর্তি হয়েছিলেন,বিশেষ আপত্তি ছিলো মায়ের কারণ তিনি ভেবেছিলেন এতে আমার পড়ালেখা বা ক্যারিয়ার নষ্ট হয়ে যাবে। তবে পরে যখন তিনি বুঝতে পারলেন পড়ালেখায় কোনো ফাঁকিবাজি করছেন না তখন অবশ্য আর আপত্তি করেনি। ধীরেধীরে তারা দুজনেই সবথেকে বড় ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছিলো নইলে কোনোকিছুই হয়তো সম্ভব হয়ে উঠতো না।
শাফিউল রাজ বলেন, তবে আমি হার মেনে ভিন্ন পথ বেছে নেয়ার পক্ষে ছিলাম না তাই থিয়েটারের পাশাপাশি ২০১৮ সাল থেকে অডিশন দেয়া শুরু করি,রিজেক্ট হয়েছি বহুবার তবুও আশাহত হইনি। রিজেকশন থেকে তো নিজের খামতি বোঝা যায় তাই সেটা শুধরে নিয়ে আবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি বারংবার।
২০২২ সালে একটা সুযোগ আসে আরটিভির মাধ্যমে,"Rtv fiction fiesta,in association with Prionte,নাটকে নতুন মুখ" নামক রিয়্যালিটি শো তে অংশ নিয়ে সেরা ১০ এ বিজয়ী হই,ভেবেছিলাম এবার হয়তো অভিনতা হয়ে ওঠার সুযোগ পাবো।কিন্তু বিভিন্ন কারণে তখন আর এগোতে পারিনি। এরপর ২০২৫ সালে দীপ্ত টিভির মাধ্যমে আরেকটা সুযোগ এসে কড়া নাড়তেই সেটা লুফে নিলাম। দীপ্ত স্টার হান্ট নামক রিয়্যালিটি শোটা আমার জীবনে এক নতুন মোড় এনে দেয়।
শাফিউল রাজ আরো বলেন, কিন্তু এখন পিছনে ফিরে তাকালে মাঝেমাঝে অবাক হই ২০১৭-২০২৫ এর এই লম্বা জার্নিতে
কি অমানবিক কষ্ট দিয়েছি নিজেকে তা বর্ণনাতীত।
শুধুমাত্র আজকের এই দিনের আশায়
অনেক ত্যাগ আর অক্লান্ত পরিশ্রম ছিলো আমার।সবেমাত্র শুরু করেছি এখনও অনেকটা পথ বাকি, আরো অনেক দূর যেতে চাই।তাছাড়া
এখনও অভিনয়ের অনেককিছু শেখার বাকি আছে আমার,আরো শিখতে চাই,নিজেকে আরো ভাঙতে চাই,বিভিন্ন চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করে নিজেকে একজন অভিনেতা হিসেবে প্রমাণ করতে চাই।