আনোয়ারায় টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করলেন এসি ল্যান্ড দীপক ত্রিপুরা

প্রকাশিত: ৩:২০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১২, ২০২৫

আনোয়ারা ( চট্টগ্রাম )  প্রতিনিধি

‎আজ থেকে সারাদেশ ব্যাপী শুরু হয়েছে ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশুর জন্য টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন।দেশের অন্যান্য উপজেলার  মতো চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায়ও আজ থেকে শুরু হয়েছে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন (টিসিবি)-২০২৫।

ক্যাম্পেইনের প্রথম দিন রবিবার ১২ অক্টোবর সকালে আনোয়ারা সরকারি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের  শিক্ষার্থীদের মাঝে টিকাদান শুরু হয়।

এ উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  আনোয়ারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট দীপক ত্রিপুরা।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাহতাবউদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, আনোয়ারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনির হোসেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সানাউল্লাহ কাউছার, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা দেবরাজ চক্রবর্তী, উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক নুর বেগম, আনোয়ারা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কে এম সরোয়ার হোসেন প্রমুখ ।

‎ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি দীপক ত্রিপুরা বলেন, ‘টাইফয়েডে এখনও আমাদের শিশুদের মৃত্যু হয়। এটা আমাদের লজ্জা। সরকার ডায়রিয়া, রাতকানার মতো রোগ নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হয়েছে। আশাকরি এবার টাইফয়েড প্রতিরোধেও সফল হব।

‎উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাহতাবউদ্দিন চৌধুরী বলেন ‘টাইফয়েড এমন একটি রোগ, যা সচেতনতা ও টিকাদানের মাধ্যমে সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। যত বেশি শিশু টিকার আওতায় আসবে, ততই হাসপাতালের ওপর চাপ কমবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার পথে এই কর্মসূচি একটি বড় পদক্ষেপ। মাহতাব বলেন, “টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন শুধু একটি স্বাস্থ্য প্রকল্প নয়—এটি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। বিশেষ করে নিম্নআয়ের পরিবারের শিশুদের জন্য এই উদ্যোগ একটি বড় পরিবর্তন আনবে।” জন্মসনদ না থাকলেও কোনো শিশু বাদ যাবে না। সব শিশুকে টিকার আওতায় আনাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

‎৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী প্রায় ৫ কোটি শিশুকে এই টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। একমাস ব্যাপী এ ক্যাম্পেইনে শিশুদের বিনামূল্যে ইনজেকটেবল টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে।এই কর্মসূচিতে ব্যবহৃত টিকাটি সরবরাহ করেছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট, আর সরকারের পক্ষ থেকে তা পেয়েছে আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন সহায়তা সংস্থা গ্যাভি–র সহায়তায়।

প্রথম / আরডি