মো আবদুল করিম সোহাগ,ঢাকা
যখন ক্লাস নাইন টেনে পড়ে তখন থেকে মিডিয়ার পিছনে রিয়াদ অনেক ছুটে। মিডিয়ার এই জার্নিটা এত সহজ ছিল না রিয়াদের।
ফেসবুক মেসেঞ্জার গ্রুপের মাধ্যমে টিভিসি-ওভিসির কাজে যোগাযোগ করা থেকে শুরু,কিন্তু রিয়াদ দমে যাননি। নিজেকে প্রকাশের নতুন ক্ষেত্র খুঁজতে তিনি পত্রিকার কাজে পা রাখেন। সেখানেই পরিচিত হন আরো অন্য মডেলদের সাথে, এবং প্রথমবার টের পান,মিডিয়ার পথটা দেখতে যতটা সহজ, বাস্তবে ঠিক ততটাই কঠিন।
কাজের শুরুতে নামী ডিরেক্টরদের সাথে বেশ কিছু ভালো টিভি বিজ্ঞপ্তির (TVC) সুযোগ এলেও, বয়সের অপরিপক্কতার কারণে তা ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। এরপর একটা লম্বা বিরতি কাটিয়ে, অবশেষে ২০২১ সালে 'মিস্টার এন্ড মিস ফটোজেনিক' প্রতিযোগিতায় উইনার হয়ে মূল ধারার ক্যারিয়ারে দারুণভাবে কামব্যাক করেন।"
এরপর রিয়াদের মূল জার্নি শুরু। দারাজের বিগ শো দিয়ে যাত্রা শুরু করে পরবর্তীতে নামী-দামী ফ্যাশন কোরিওগ্রাফারদের সাথে বিভিন্ন শো ও শুটে কাজ করার দারুণ অভিজ্ঞতা হয় তার। নিজেকে আরও একধাপ এগিয়ে নিতে ২০২৪ সালে তিনি আজরা মাহমুদ গ্রুমিং স্কুল-এ ভর্তি হন। সেখান থেকে প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শিখে ও নিজেকে ইম্প্রুভ করে তার এই পথচলা আরও সমৃদ্ধ হচ্ছে।
একসময় যেটি তার ছিল কেবল নেশা, এখন সেটিই পেশা ও ক্যারিয়ার গড়ার হাতিয়ার। এই ধারায় নিজের প্রতিভা ও সৃজনশীল দিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।
মডেলই এখন তার একমাত্র ধ্যান-জ্ঞান। তিনি বিশ্বাস করেন— মডেলিং এর মাধ্যমে নান্দনিকতা ও সৃজনশীলতার সর্বোচ্চ প্রকাশ সম্ভব। তাই তিনি এমন কাজ করতে চান, যা মানুষের মনে দাগ কেটে থাকবে দীর্ঘদিন।
পেশাদার মডেলিং এর ক্যারিয়ারে রিয়াদ কাজ করেছেন দেশের অনেক জনপ্রিয় তারকা শিল্পীর সঙ্গে।
রিয়াদ বলেন, আমি চেষ্টা করি সব সময় শেখার মধ্যে থাকার সিনিয়ররা যারা আছে তারা কিভাবে কি করে সেটা শেখার কোরিওগ্রাফার বা স্টাইলিং যারা আছে তারা কিভাবে বলছে সেটা শেখার এবং যারা ডাইরেকশন এ আছে তারা কিভাবে ডাইরেকশন দিচ্ছে, এরপরে একটা নাটকে ছোট্ট একটা সিন করি বেশ প্রশংসিত হই।চেষ্টা করেছি নিজেকে সেখানে প্রকাশ করার ইচ্ছা আছে এভাবেই দিনের পর দিন নিজেকে ইম্প্রুভ করে সবার মাঝে জনপ্রিয়তা জানি আসতে পারি।
সামনে আরো বড় বড় কাজ করার ইচ্ছা আছে বড় পরিসরে কাজ করার ইচ্ছা আছে এবং মডেলিং এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে চায়।