তরুণ বিশ্বাস, কলকাতা---
দীর্ঘ আট মাসের অনিশ্চয়তা ও অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল বারাসাত সেশন আদালত। আমডাঙা থানার পুলিশকে গোলাম কুদ্দুচের মৃতদেহ দ্রুত তাঁর স্ত্রী মঞ্জুরা খাতুন বিবি ও ছেলে মিজানুর রহমানের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে একটি জলাশয় থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাতপরিচয় দেহটি পরবর্তীতে পরিবার শনাক্ত করে। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হলেও ডিএনএ পরীক্ষার জটিলতার কারণে এতদিন দেহ হস্তান্তর আটকে ছিল।
আদালত স্পষ্ট জানায়, যখন শনাক্তকরণ সম্পূর্ণ হয়েছে এবং অন্য কোনও দাবিদার নেই, তখন ডিএনএ পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা নেই। অযৌক্তিক বিলম্বে পরিবারকে প্রিয়জনের শেষকৃত্যের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করা হয়। অ্যাডভোকেট দোয়েল চক্রবর্তী ডেপুটি, এলএডিসিএস অরিজিৎ বসু ডেপুটি, এলএডিসিএস ও সোনালী পাল প্যানেল অ্যাডভোকেট, ডিএলএসএ-এর জোরালো সওয়াল এবং অফিস কর্মকর্তা অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী'র তৎপরতায় মামলায় গতি আসে। পাশাপাশি জেলা লোক আদালতের সম্পাদক- সচিব বিচারক নুরজামান খানের সহৃদয় ভূমিকা ও অ্যাডভোকেট সোফিয়া ইয়াসমিনের সহায়তায় অবশেষে স্বস্তি ফিরে পেল পরিবার।