আওয়ামী শাসনকালে প্রতিকূলতা জয় করে রাজপথে সক্রিয় খুলশী থানা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শাহ আলম

প্রকাশিত: ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ১৩, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

​আওয়ামী রাজনীতির দীর্ঘ ১৭ বছরের শাসনকালে প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করে রাজপথে সক্রিয় থাকা যেকোনো রাজনৈতিক কর্মীর জন্যই ছিল এক কঠিন পরীক্ষা। বিশেষ করে চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলশী থানা এলাকায় যেখানে মামলা ও ধরপাকড়ের কারণে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ছিল ঝুঁকিপূর্ণ, সেখানে শাহ আলমের নেতৃত্বে নেতা-কর্মীদের সুসংগঠিত উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। দীর্ঘ এই সময়ে বৈরী পরিবেশেও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক ধারা অব্যাহত রাখার বিষয়টি স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

​স্থানীয় নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো থেকে জানা যায়, গত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে খুলশী থানা এলাকায় বিএনপির প্রতিটি বড় কর্মসূচিতে শাহ আলমের সাথে তৃণমূল কর্মীদের সরব অংশগ্রহণ দেখা গেছে। দলীয় কর্মীদের মতে, যখনই রাজপথে গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের ডাক এসেছে, তখনই সাধারণ কর্মীদের সাথে নিয়ে মিছিলে শামিল হয়েছেন তিনি। প্রতিকূল সময়েও দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রেখে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা স্থানীয় পর্যায়ে প্রশংসিত হয়েছে।

​রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ এই শাসনকালে রাজপথে টিকে থাকার মূল শক্তি ছিল তৃণমূলের সাথে নিবিড় যোগাযোগ। বিশ্লেষকরা মনে করেন, শাহ আলমের সাফল্যের চাবিকাঠি হলো চরম দুঃসময়েও দলীয় আদর্শের প্রতি অবিচল থাকা এবং কর্মীদের মনোবল ধরে রাখতে সহায়তা করা। বিশেষ করে খুলশীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে রাজনৈতিক চাপের মুখেও ইউনিটগুলোকে সক্রিয় রাখা তার সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয় বহন করে।

​মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শাহ আলম নিজেকে কেবল নেতা হিসেবে নয়, বরং রাজপথের একজন একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ১৭ বছর ধরে নানা প্রতিকূলতাকে তুচ্ছ করে তিনি যেভাবে দলকে এক সুতোয় গেঁথে রাখার চেষ্টা করেছেন, তা খুলশী থানা স্বেচ্ছাসেবক দলকে একটি সুসংগঠিত ইউনিটে রূপান্তর করতে সহায়ক হয়েছে। রাজপথের মিছিলে সাহসের সাথে কর্মীদের পাশে থাকা সাধারণ নেতা-কর্মীদের আত্মবিশ্বাস জোগাতে ভূমিকা রেখেছে।

​দীর্ঘ ১৭ বছরের এই কন্টকাকীর্ণ পথচলায় নানা সীমাবদ্ধতা থাকলেও খুলশীর রাজনীতিতে শাহ আলমের অবস্থান এখন বেশ সংহত। তৃণমূলের সুরক্ষা এবং রাজপথের সক্রিয়তা—এই দুইয়ের সমন্বয়েই তিনি দীর্ঘ সময় ধরে দলের মূল স্রোতে কর্মীদের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।