মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার লড়াইয়ে মনিরুজ্জামান অপূর্ব প্রকাশিত: ৮:০৮ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ মো আবদুল করিম সোহাগ -ঢাকা মানুষের সেবাকেই পরম ইবাদত মনে করেন মনিরুজ্জামান অপূর্ব। তাঁর বিশ্বাস, সৃষ্টির প্রতি ভালোবাসাই মানুষকে স্রষ্টার আরও কাছে নিয়ে যায়। সমাজের জন্য কাজ করতে বড় পুঁজি নয়, দরকার ইচ্ছাশক্তি, মানবিকতা ও দায়বদ্ধতা—এই দর্শন নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন সমাজকল্যাণে। শ্রদ্ধা, অধ্যবসায়, সাহস ও ধৈর্য—এই চার গুণকে তিনি জীবনের মূল শক্তি মনে করেন। প্রখ্যাত মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হানিফ সংকেতের সান্নিধ্যে থেকেই তাঁর কর্মজীবনের শুরু। ১৯৯৫ সালে বিটিভির জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’-এর মাধ্যমে বিনোদন অঙ্গনে পথচলা শুরু হয় তাঁর। এরপর মেধা, পরিশ্রম ও সততার মাধ্যমে ধীরে ধীরে গড়ে তুলেছেন নিজস্ব অবস্থান। সমাজসেবক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন নীরবে। অনাথ শিশু, পথশিশু, অসহায় মানুষ ও বৃদ্ধ মা–বাবাদের পাশে থাকতে চান সবসময়। বিশেষ করে তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখাকে তিনি নিজের দায়িত্ব মনে করেন। কোনো প্রচার-প্রচারণা ছাড়াই পরিবার ও স্বজনদের নিয়ে গভীর রাতে শীতবস্ত্র ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ তাঁর নিয়মিত উদ্যোগগুলোর একটি। মানুষের পাশাপাশি পশু-পাখির প্রতিও রয়েছে তাঁর মমতা। একাধিক স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর হাত ধরেই মিডিয়ায় উঠে এসেছে অনেক মেধাবী তরুণ-তরুণী, যা এই অঙ্গনের জন্য ইতিবাচক সংযোজন। মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠা করেন দিয়ামনি ই কমিউনিকেশন এবং ২০১৭ সালে পদ্মা উদ্যোক্তা ফাউন্ডেশন। অল্প সময়েই সংগঠন দুটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে দেশ-বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে। তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়েছেন কবি বেগম সুফিয়া কামাল পদক, কবি কাজী নজরুল ইসলাম সম্মাননা, মহাত্মা গান্ধী পিস অ্যাওয়ার্ডসহ নানা সম্মাননা। ভবিষ্যতে অবহেলিত ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য মসজিদ, মাদ্রাসা ও স্কুল নির্মাণসহ টেকসই উন্নয়নমূলক কাজ করতে চান তিনি। মিডিয়া জগতেও রেখেছেন নিজের স্বতন্ত্র ছাপ—চলচ্চিত্র সাংবাদিকতা ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে রয়েছে তাঁর সুনাম, লেখালেখিতেও সমান দক্ষতা। তাঁর ভাষায়, “ব্যক্তিগত অর্জনই সফলতা নয়; মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই সবচেয়ে বড় সফলতা।” গুরু হানিফ সংকেতের আদর্শ ধারণ করে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চান তিনি। বর্তমানে দিয়ামনি ই কমিউনিকেশন ও পদ্মা উদ্যোক্তা ফাউন্ডেশন মানবাধিকার রক্ষা, নারী ও শিশুর অধিকার নিশ্চিতকরণ, উদ্যোক্তা তৈরি ও প্রশিক্ষণ, শিশু শ্রম প্রতিরোধ, শিক্ষা বিস্তার, দুর্যোগ মোকাবেলা, কৃষি সহায়তা, এতিম ও অসহায় মেয়েদের বিবাহ, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান নির্মাণ এবং উদ্যোক্তাদের জন্য ফ্রি স্টল মেলার মতো নানা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সমাজের ভালোবাসা ও দোয়া নিয়েই আজীবন মানুষের পাশে থাকতে চান এই মানবিক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক মনিরুজ্জামান অপূর্ব। News PhotoCard SHARES সারা বাংলা বিষয়: